AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘ধুরন্ধর ২’ বিতর্কে ইতি? শিখ সম্প্রদায়ের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন আর মাধবন

সম্প্রতি শিবসেনার (শিন্ডে গোষ্ঠী) নেতা গুরজিৎ সিং খের ‘ধুরন্ধর ২’ ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, একটি দৃশ্যে মাধবনকে সিগারেট খেতে খেতে দশম গ্রন্থ সাহেবের পবিত্র গুরবানি ‘শূরা সো পেহচানিয়ে জো লড়ে দীন কে হেত’ আবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে। শিখ ধর্মাবলম্বীদের মতে, তামাক বা ধূমপান তাঁদের ধর্মে নিষিদ্ধ এবং পবিত্র মন্ত্রের সঙ্গে এমন দৃশ্যায়ন অত্যন্ত অবমাননাকর।

‘ধুরন্ধর ২’ বিতর্কে ইতি? শিখ সম্প্রদায়ের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন আর মাধবন
Image Credit: facebook
| Updated on: Mar 24, 2026 | 6:52 PM
Share

পর্দায় রণবীর সিংয়ের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই টানটান উত্তেজনার আবহ ছাপিয়ে বাস্তব জীবনে আইনি জটিলতায় ফেঁসে গিয়েছেন অভিনেতা আর মাধবন। সৌজন্যে তাঁর অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’। এই ছবির একটি দৃশ্য ঘিরে শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। বিতর্ক বাড়তে থাকায় অবশেষে মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো বার্তায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিনেতা। সাফ জানালেন, কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁদের ছিল না।

ঠিক কী ঘটেছিল?

সম্প্রতি শিবসেনার (শিন্ডে গোষ্ঠী) নেতা গুরজিৎ সিং খের ‘ধুরন্ধর ২’ ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, একটি দৃশ্যে মাধবনকে সিগারেট খেতে খেতে দশম গ্রন্থ সাহেবের পবিত্র গুরবানি ‘শূরা সো পেহচানিয়ে জো লড়ে দীন কে হেত’ আবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে। শিখ ধর্মাবলম্বীদের মতে, তামাক বা ধূমপান তাঁদের ধর্মে নিষিদ্ধ এবং পবিত্র মন্ত্রের সঙ্গে এমন দৃশ্যায়ন অত্যন্ত অবমাননাকর।

বিতর্কের জল ঘোলা হতেই মুখ খোলেন মাধবন। ভিডিয়োতে তিনি বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন যে, পর্দায় যা দেখা গিয়েছে এবং বাস্তবে যা হয়েছে— তার মধ্যে তফাত আছে। মাধবনের দাবি, শ্যুটিংয়ের সময় পরিচালক আদিত্য ধর অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। সংলাপ শুরু করার আগেই তিনি মাধবনকে সিগারেটটি নিভিয়ে ফেলতে বলেছিলেন।

View this post on Instagram

A post shared by R. Madhavan (@actormaddy)

মাধবনের কথায়, “আমার স্পষ্ট মনে আছে, কথাগুলো বলার আগে আমি সিগারেটটি নিভিয়ে দিয়েছিলাম। ওই বিশেষ দৃশ্যে আমার মুখ থেকে কোনও ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়নি। এমনকি আমার হাতে কোনও সিগারেটও ছিল না।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি শিখ ধর্মের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল এবং যে কোনও ছবির মুক্তির আগে স্বর্ণমন্দিরে আশীর্বাদ নিতে যান। ফলে জেনে বুঝে কাউকে আঘাত করার প্রশ্নই ওঠে না।

অভিযোগকারী গুরজিৎ সিং খের শুধু মাধবন নয়, রণবীর সিং এবং পরিচালক আদিত্য ধরের থেকেও ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করেছিলেন। তাঁর মতে, এই ধরণের দৃশ্যায়ন কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নয়, বরং শিখ বিশ্বাসের প্রতি চরম অবমাননা। তবে মাধবনের এই ভিডিয়ো বার্তার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

Follow Us