Adhir Chowdhury: সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে এবার মমতাকে বার্তা অধীরের, কী বললেন?
Adhir Chowdhury on Supplementary list: সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে ভোটগ্রহণ উচিত নয় বলেও দাবি জানান অধীর চৌধুরী। বলেন, "নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়ে গেল। কিন্তু, এখনও ভোটার তালিকা তৈরি হল না। এটার মানে কী? আমার মনে হয়, এই ভোট এখন স্থগিত করে দেওয়া উচিত। যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রত্যেক বৈধ ভোটারের নাম নথিভুক্ত হচ্ছে, ততক্ষণ ভোট না হওয়াই উচিত বলে আমি মনে করি।"

মুর্শিদাবাদ: ভোটের দিনক্ষণ জানা গিয়েছে। কিন্তু, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিবেচনাধীন তালিকা কবে নিষ্পত্তি হবে, তা এখনও জানা যায়নি। গতকাল প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়েছে। ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে ২৯ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়েছে। এই অবস্থায় কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডান-বাম সব পক্ষকে কমিশনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মমতার এই আহ্বান নিয়ে এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কী বললেন তিনি?
উত্তরবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার আগে মঙ্গলবার মমতা বলেছিলেন, “রং না বিচার করে জোটে থাকুন। কে বাম, কে ডান ভুলে যান। আমার পক্ষে থাকতে হবে না। এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করুন।” মমতার প্রস্তাব নিয়ে অধীর বলেন, “আমার তো বক্তব্য, যদি আপনার মনে হয়, এই নির্বাচন সঠিক হচ্ছে না, নির্বাচন কমিশন অন্যায় করছে, তাহলে ভোট বয়কট কেন করছেন না? আপনি ভোট বয়কটের আহ্বান জানান।”
একইসঙ্গে মমতাকে নিশানা করে অধীর বলেন, “এর মধ্যে আপনার দলের লোকেরা বাংলাজুড়ে সন্ত্রাস চালিয়ে, বাংলার মানুষকে আতঙ্কিত করতে চাইছে। এবং বাধ্য করতে চাইছে, আপনাকে ভোট দিতে। আপনার নেতৃত্বে তৃণমূলের তরফে মুর্শিদাবাদে হিংসা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনি চালাকি করবেন না। বাংলার মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। বাংলার মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করবেন না।” প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আরও বলেন, “এটা তো বিচারপতিদের কাজ নয়। বিচারপতিরা ভোটার লিস্ট তৈরি করছেন, এটা তো কখনও শুনিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উকিল হতে গেলেন, আর সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন।”
মমতার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও নিশানা করেন অধীর। বলেন, “ভারতের নির্বাচন কমিশন সর্বৈব ব্য়র্থ। নির্বাচন কমিশনের এমন অপদার্থতা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা দেখে আমরা অবাক হচ্ছি। আজকে ভারতে যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে চলেছে, তার জন্য প্রধান দায়ী অবশ্যই নির্বাচন কমিশন।”
সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে ভোটগ্রহণ উচিত নয় বলেও দাবি জানান অধীর। বলেন, “নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়ে গেল। কিন্তু, এখনও ভোটার তালিকা তৈরি হল না। এটার মানে কী? আমার মনে হয়, এই ভোট এখন স্থগিত করে দেওয়া উচিত। যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রত্যেক বৈধ ভোটারের নাম নথিভুক্ত হচ্ছে, ততক্ষণ ভোট না হওয়াই উচিত বলে আমি মনে করি।”
