Malda Supplementary List: বিচারকই অসুস্থ, হয়নি কাজ, সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ না হওয়ায় অসুস্থ অনেকে
Malda: এ দিকে, সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরোনোর পর হিংসা রুখতে তৎপর মালদা জেলা পুলিশ। জেলা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে চালানো হচ্ছে নাকা চেকিং। জায়গায় জায়গায় রুটমার্চ করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা।

মালদহ: প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary List) প্রকাশ হয়েছে। অভিযোগ, মালদহের ইংরেজবাজারে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা টাঙানোই হল না। ক্ষোভ আশঙ্কা বাড়ছে। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের দাবি মালদহের ইংরেজবাজারে বিচারাধীনদের নাম খতিয়ে দেখার কাজ শুরুই হয়নি। মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু কেন?
তৃণমূলের দাবি, বিচারক অসুস্থ। সেই কারণে নাকি কাজ হয়নি। এই অবস্থায় আতঙ্কে বহ মানুষ। মালদহ জেলা তৃণমূল মুখপাত্র অনুপম সিং বলেন, “মালদহে বহু মুসলমানের নাম বাদ গিয়েছে। মতুয়া ও হিন্দুদের নাম ও বাদ গিয়েছে। আর ইংরেজ বাজারে তো কাজ শুরুই হয়নি।” মালদা জেলা সম্পাদক কৌশিক মিশ্র বলেন, “পাশাপাশি সিপিএম-এর বক্তব্যও একই। মিটিং ডেকেছিল দুদিন আগে। আমরা গিয়েছিলাম। ওরা শুধু বলেছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হবে। কবে প্রকাশ হবে, কখন প্রকাশ হবে কিছুই বলেনি।”
অন্যদিকে, বিজেপির দাবি এই অবস্থার জন্যে দায়ী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলাদেশি অবৈধ ভোটারদের বাঁচাতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই অবস্থা তৈরি করেছেন। তিনি তাঁদের হয়ে লড়ছেন যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এই রাজ্যে আসে ভোট দিতে। তাঁদের নাম তো বাদ দিতেই হবে।
এ দিকে, সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরনোর পর হিংসা রুখতে তৎপর মালদা জেলা পুলিশ। জেলা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে চালানো হচ্ছে নাকা চেকিং। জায়গায় জায়গায় রুটমার্চ করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা।
মালদা জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, “সাধারণ মানুষ হিংসা চান না। কখনো কখনো উস্কানিতে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই পুলিশের প্রাথমিক লক্ষ্য। সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে যাঁদের নাম বাদ যাবে তাঁদের অন্যান্য আইনি মাধ্যম খোলা আছে।” ফলত, সেই কারণে হিংসায় না জড়িয়ে সাধারণ মানুষকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তবে হিংসা হলে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তরজ্য সীমান্ত ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।
