বিবাহ বিচ্ছেদের পর মাসে মাসে কত টাকা অমৃতাকে পাঠাতেন সইফ?
Untold Story: বয়সে বড় মহিলাকে বিয়ে করার চল সে সময়ে এতটা স্বাভাবিক ছিল না। ভাগ্যিস, সে সময় সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না, নয়তো ট্রোলিংয়ের হাত থেকে নিস্তার পেতেন না তাঁরাও। জানেন কি, সে সময় অমৃতা সিংয়ের বয়স কত ছিল?

বাড়ির অমতেই অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন সইফ আলি খান। সে বিয়ে নিয়ে বলিউডে কম তোলপাড় হয়নি। বয়সে বড় মহিলাকে বিয়ে করার চল সে সময়ে এতটা স্বাভাবিক ছিল না। ভাগ্যিস, সে সময় সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না, নয়তো ট্রোলিংয়ের হাত থেকে নিস্তার পেতেন না তাঁরাও। জানেন কি, সে সময় অমৃতা সিংয়ের বয়স কত ছিল?
সইফ আলি খানের থেকে খাতায় কলমে ৬ বছরের বড় ছিলেন অমৃতা সিং। ১৯৯১ সালে সইফ যখন তাঁকে বিয়ে করেন সে সময় অমৃতার বয়স ছিল ২৭ বছর। পরিবারের অমতে গিয়েই বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের বিচ্ছেদও কিন্তু নির্বিঘ্নে হয়নি। বিচ্ছেদের পর সইফের থেকে সন্তানদের মানুষ করার জন্য মোটা টাকা খোরপোশ চেয়েছিলেন অমৃতা সিং। ২০০৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে মুখও খুলেছিলেন সইফ। তিনি বলেন, “অমৃতাকে ৫ কোটি দেওয়ার কথা। এর মধ্যে আড়াই কোটি দেওয়া হয়ে গিয়েছে আমার। আমার ছেলের ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওর জন্য মাসে এক লক্ষ টাকাও দিতে হচ্ছে আমাকে। আমি শাহরুখ খান নই। এত টাকা আমার কাছেও নেই। যদিও আমি ওকে প্রমিস করেছি সব টাকা মিটিয়ে দেব।”
শোনা যায়, বিবাহিত জীবনে প্রথম কয়েক বছর ভাল কাটলেও শেষ কয়েক বছরে ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন সইফ। এও জানিয়েছিলেন মানসিক অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে। এও জানিয়েছিলেন প্রতি মুহূর্তেই নাকি অপমান করতেন অমৃতা। তিনি কতটা অযোগ্য বাবা, কতটা খারাপ স্বামী– তা প্রমাণেই নাকি ব্যস্ত ছিলেন অমৃতা, দাবি সইফের। তবে সে সব এখন অতীত। এই মুহূর্তে করিনা কাপুকে নিয়ে সুখের সংসার তাঁর।





