মাঝরাতে কনকনে শীতে এক কাপড়ে অভিনেত্রীকে বাড়ি থেকে বের করলেন মা, তারপরই থানা পুলিশ

Actress Kicked Out From House: এক কাপড়ের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল মা। শীতের রাত। পরনে ছিল না তেমন কোনও গরম কাপড়। তাঁর ৬টি পোষ্য কুকুর এবং তাঁকে বাড়ি থেকে মাঝরাতে বের করে দিয়েছিল নিজেরই জন্মদাত্রী মা। কী এমন করেছিল মেয়েটা? উত্তর মেলেনি?

মাঝরাতে কনকনে শীতে এক কাপড়ে অভিনেত্রীকে বাড়ি থেকে বের করলেন মা, তারপরই থানা পুলিশ
প্রিয়াঙ্কা পাল।
Follow Us:
| Updated on: May 16, 2024 | 5:46 PM

কথা হচ্ছে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা পালের সম্পর্কে। যে সময় এই ঘটনাটি ঘটে, এখন প্রিয়াঙ্কা প্রতিষ্ঠিত মডেল। সিনেমায় কিংবা সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ ঘটেনি তাঁর। আজ ১০ বছর হল বাড়ির বাইরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী। আশ্রয় বলতে কেবল মামার বাড়ি। সেদিন সেই অসহায় মেয়েটিকে আপন করে নিয়েছিলেন তাঁর আপন মামিই। ১০ বছর ধরে সেই মামিকেই মায়ের সমস্ত দায়িত্ব পালন করছেন প্রিয়াঙ্কার। কিছুদিন আগে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ শোতে খেলতে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা এবং তাঁর মামি। ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে হোস্ট রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর জীবনের দুঃখের কাহিনি শুনিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। সবটা শুনে হতবাক হয়ে গিয়েছেন রচনা এবং হাজার-হাজার দর্শক। রচনা তাঁকে স্পষ্টই জিজ্ঞেস করেছিলেন, ঠিক কী কারণে মা তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন, “আমি এখনও জানি না ঠিক কী কারণে আমাকে মা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তো আমার মা, আমি তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছি।”

১৪ বছর বয়সে বাবাকে হারিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। বাবা ছাড়া সংসার কী রকম হতে পারে বুঝতেই পারছেন! প্রিয়াঙ্কার মাকে নানা ধরনের কাজ করতে হয়েছিল। তিনি লোকের বাড়িতে রান্নার কাজও করেছিলেন। একটু বড় হতেই প্রিয়াঙ্কা মডেলিং করতে শুরু করেন। রোজগারের পুরো টাকাই এনে তুলে দিতেন মায়ের হাতে। প্রিয়াঙ্কা চেয়েছিলেন, তাঁর ছোট বোন যেন লেখাপড়া করে বড় মানুষ হয়। কিন্ত বোন তেমন একেবারেই নন। তাঁর সঙ্গে এই নিয়ে নিত্যদিন ঝামেলা হত এবং একদিন রাগের বশে তাঁর মা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কাকে।।

এই খবরটিও পড়ুন

এখানেই থেমে নেই বিষয়টা। প্রিয়াঙ্কার নামে থানা পুলিশও হয়েছিল। আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল বিষয়টা। ১০ বছর পর মায়ের উদ্দেশে কিছু কথা বলেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেছিলেন, “অনেকগুলো দিন তো হল। সময় পাল্টেছে। দিন পাল্টেছে। নিশ্চয়ই মা আমার উপর আর রেগে নেই। তিনি নিশ্চয়ই আমাকে কোনও না কোনওদিন আপন করে নেবেন।”