Dipika on Sai Pallavi as Sita: রামায়ণে কোঁকড়ানো চুলের সীতা নেই! সাই পল্লবীর কাস্টিং নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দীপিকা
Bollywood Ramayana casting: রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor) ও সাই পল্লবী (Sai Pallavi) অভিনীত নীতেশ তিওয়ারির বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘রামায়ণ’ ঘিরে ইতিমধ্য়েই দর্শকদের কৌতুহল তুঙ্গে উঠেছে। তবে নীতেশ তিওয়ারির রামায়ণে সাই পল্লবীর সীতা চরিত্র এবং রণবীর কাপুরের রাম অবতার নিয়ে মুখ খুললেন আশির দশকের কালজয়ী ‘সীতা’ দীপিকা চিখলিয়া।

রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor) ও সাই পল্লবী (Sai Pallavi) অভিনীত নীতেশ তিওয়ারির বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘রামায়ণ’ ঘিরে ইতিমধ্য়েই দর্শকদের কৌতুহল তুঙ্গে উঠেছে। তবে এরই মধ্যে নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে রামানন্দ সাগরের কালজয়ী ধারাবাহিক ‘রামায়ণ’-এর সীতা, অর্থাৎ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দীপিকা চিখলিয়ার (Dipika Chikhalia) সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়া। নতুন রামায়ণে সাই পল্লবীর সীতা হওয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একপ্রকার স্পষ্ট ও সোজাসাপ্টা বক্তব্য রাখলেন তিনি।
দীপিকা চিখলিয়া সরাসরি বলেন, “সাই পল্লবী অত্যন্ত গুণী অভিনেত্রী। কিন্তু সীতা হিসেবে তাঁকে কেমন দেখাবে, তা আমি জানি না। দেখার পরেই তা বোঝা যাবে। তুলসীদাসের রামায়ণে সীতার বর্ণনা ছিল আমন্ড বাদামের মত চোখ, নির্দিষ্ট উচ্চতা, চুল এবং গায়ের রঙের এক বিশেষ রূপ। রামানন্দ সাগর মহাশয় সেই রূপেরই সন্ধান করছিলেন এবং তিনি আমার মধ্যে তা দেখতে পেয়েছিলেন। ওঁরা সবাই ভালো অভিনেতা। চরিত্রের উপযোগী হলে তা খুবই ভালো।” তিনি আরও যোগ করে বলেন, “কোঁকড়ানো চুলের সীতা কিন্তু রামায়ণে উল্লেখ করা নেই।”
কথাপ্রসঙ্গে দীপিকা তাঁর নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, “আমাদের চেনা যায় আমাদের কাজের মাধ্যমেই। আমাকে সবাই সীতা হিসেবেই চেনেন। কখনও কখনও মানুষ আমার আসল নাম ভুলে যান, কিন্তু মনে রাখেন যে আমি সীতার চরিত্র করেছিলাম। ওটাই আমার পরিচয়। কে-ই বা নিজের সেই পরিচয় হারাতে চায়? অবশ্য একজন অভিনেতা হিসেবে আলাদা আলাদা চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা তো থাকেই। একই ফ্রেমে গণ্ডিবদ্ধ হতে কেউ চায় না।”
কাজের অভাব প্রসঙ্গে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “আমি কাজ পাইনি। সত্যি বলতে, আমি এখনও মানুষের কাছে কাজের কথা বলি। রণবীর যেমন ‘বরফি’, ‘সঞ্জু’ এবং ‘অ্যানিমাল’-এ অভিনয় করেছেন, আর এখন রামচন্দ্র হচ্ছেন। এটাই আজকের যুগের আসল সৌন্দর্য। আমাদের সময়ে বিষয়গুলো এমন ছিল না, সবাই একই ধরনের চরিত্রে আটকে পড়তাম। এখনও অন্য চরিত্রে কাজ পাওয়া খুবই কঠিন, কারণ মানুষ আমাকে সীতা ছাড়া অন্যভাবে দেখতেই পারেন না।”
অবশ্য তা সত্ত্বেও নতুন রামায়ণের পুরো টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দীপিকা। তাঁর কথায়, “ওঁরা সবাই অত্যন্ত গুণীশিল্পী। আমি নিশ্চিত এটি এমন এক সিনেমা হবে যা মানুষ অন্তত একবার হলেও দেখতে চাইবেন।” অরিজিনাল ধারাবাহিকের কথা মনে করিয়ে দিয়ে দীপিকা জানান, “আমাদের পুরনো রামায়ণকে মানুষের মন থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা অত্যন্ত কঠিন। যদি সিনেমাটি ৫০ বছর পর হতো, তবে হয়তো মানুষ পুরনো রূপ ও অভিনেতাদের কথা ভুলে যেতেন। কিন্তু এখন সেই স্মৃতি সবার মনে এখনও একদম তাজা।”
