টিউশন পড়াতে গিয়েই পড়লেন প্রেমে! মাধবনের প্রেমের গল্প হার মানায় ছবির গল্পকেও

একের পর এক সম্পর্ক ভাঙছে। আর এই সময় দাঁড়িয়ে এত বছর একসঙ্গে কীভাবে রয়েছেন তাঁরা? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই। মাধবন বলেন, তাদের সম্পর্কেও ঝগড়া হয়—তবে সম্মানটাই মূল চাবিকাঠি। সরিতা কখনও তাঁকে শুধুই তারকা হিসেবে দেখেননি, সঙ্গী হিসেবে পাশে থেকেছেন সব সময়।

টিউশন পড়াতে গিয়েই পড়লেন প্রেমে! মাধবনের প্রেমের গল্প হার মানায় ছবির গল্পকেও

Feb 20, 2026 | 6:51 PM

তারকাদের মধ্যে সম্পর্ক ভাঙার খবরই যেন বেশি শোনা যায়। কিন্তু এই ভিড়েই ব্যতিক্রম এক প্রেমকাহিনি—অভিনেতা আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বীর্যে মাধবন। প্রায় ২৭ বছর ধরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন আজও অটুট, আর সেই গল্পই এক সাক্ষাৎকারে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা।

কীভাবে প্রথম দেখা?

মাধবন এক সাক্ষাৎকারে জানান, কোলহাপুরে তিনি তখন পড়াতেন। সেই সময় সরিতা তাঁর ক্লাসে আসতেন তবে ছাত্রীর আত্মীয়ের সঙ্গে। তখন তাঁদের মধ্যে কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। শিক্ষক-ছাত্রীর সীমারেখা মেনেই চলতেন দুজনে। এক ডিনারেই বদলে যায় তাঁদের সম্পর্ক। কোর্স শেষ করে সরিতা যখন এয়ার হোস্টেস হিসেবে কাজ শুরু করেন, তখনই গুরু মাধবনকে ধন্যবাদ জানাতে ডিনারে নেমন্তন্ন করেন। সেই কোলহাপুরের ডিনারই নাকি তাদের সম্পর্কের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বোঝেন প্রেমে পড়েছেন তাঁরা। এরপর দীর্ঘ আট বছর সম্পর্কে থাকার পর ১৯৯৯ সালে তামিল রীতিতে বিয়ে করেন তাঁরা।

একের পর এক সম্পর্ক ভাঙছে। আর এই সময় দাঁড়িয়ে এত বছর একসঙ্গে কীভাবে রয়েছেন তাঁরা? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই। মাধবন বলেন, তাঁদের সম্পর্কেও ঝগড়া হয়—তবে সম্মানটাই মূল চাবিকাঠি। সরিতা কখনও তাঁকে শুধুই তারকা হিসেবে দেখেননি, সঙ্গী হিসেবে পাশে থেকেছেন সব সময়।

স্ত্রীর নিরাপত্তাহীনতার কথাও খোলাখুলি স্বীকার করেন অভিনেতা। যখন তাঁর ‘চকোলেট বয়’ ইমেজ ছিল সেই সময় ভক্তদের বাড়তি আগ্রহে সরিতা অস্বস্তিতে পড়তেন। তখন মাধবন যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে দুজনের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়।

বিয়ের ছয় বছর পর, ২০০৫ সালে তাদের ছেলে বেদান্ত মাধবন জন্মায়। অভিনয়ের বদলে সাঁতারেই নিজের পরিচয় গড়ছে বেদান্ত। ২০১৯ সালে এশিয়ান এজ গ্রুপ সাঁতার প্রতিযোগিতায় রুপো জিতে সে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। ছেলে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের ভালোবাসা কমে তো নিই উল্টে একে অপরকে ছাড়া একেবারেই চলতে পারেন না তাঁরা। তাঁদের ভালোবাসা আজও অনেকের অনুপ্রেরণা।