বিচ্ছেদ হচ্ছে প্রিয়াঙ্কা ও নিক জোনাসের! যা যা ঘটেছে সবটাই বলে দিলেন ‘দেশিগার্ল’
কেরিয়ারের এই সুবর্ণ সময়ের মাঝেই গত কয়েক মাস ধরে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দানা বেঁধেছে নানা নেতিবাচক গুঞ্জন। বিশেষ করে স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের খবর বারবার সমাজমাধ্যমে মাথাচাড়া দিচ্ছে। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এবার সেই ‘অন্তহীন’ জল্পনা নিয়ে সপাট জবাব দিলেন ‘দেশি গার্ল’।

বর্তমানে এস. এস. রাজামৌলির পরিচালনায় মহেশ বাবুর বিপরীতে তেলুগু ছবিতে ডেবিউ করা নিয়ে তুমুল ব্যস্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। কেরিয়ারের এই সুবর্ণ সময়ের মাঝেই গত কয়েক মাস ধরে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দানা বেঁধেছে নানা নেতিবাচক গুঞ্জন। বিশেষ করে স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের খবর বারবার সমাজমাধ্যমে মাথাচাড়া দিচ্ছে। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এবার সেই ‘অন্তহীন’ জল্পনা নিয়ে সপাট জবাব দিলেন ‘দেশি গার্ল’।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা তাঁর বৈবাহিক জীবন নিয়ে ছড়ানো সমস্ত রটনা নস্যাৎ করে দিয়েছেন। অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, “নিক এবং আমি একে অপরকে নিয়ে খুব সুখী এবং দুজনে একসঙ্গে জীবনের পথে এগিয়ে চলেছি। আমরা বাইরের কোনও কথায় কান দিই না। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে আমি শুনছি যে আমার আর আমার স্বামীর নাকি বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে!”
বারবার কেন এই ধরণের খবর ভাইরাল হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেন, “মানুষ কি সত্যিই চায় আমাদের বিয়েটা ভেঙে যাক? কেন এই ধরণের মিথ্যে খবর বারবার ছড়ানো হয়? আমি আজও এটা বুঝে উঠতে পারলাম না।”
সমালোচকরা প্রায়শই নিক ও প্রিয়াঙ্কার বয়সের ব্যবধান এবং ভিন্ন সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা জানান, “আমরা দুজন আলাদা দেশের মানুষ, আমাদের ধর্ম আলাদা, এমনকি আমাদের মধ্যে বয়সেরও ফারাক আছে। হতে পারে এই কারণেই মানুষ আমাদের নিয়ে এত কথা বলে। কিন্তু গত আট বছর ধরে আমরা একে অপরের সঙ্গে অত্যন্ত সুখে আছি।”
নিকের সঙ্গে তাঁর রসায়ন নিয়ে প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “একে অপরকে জানার মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। নিকের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরেই আমার মনে হয়েছিল ও-ই আমার জন্য সঠিক মানুষ, আর তাই আমি ওকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছি। অন্য কে কী বলল, তাতে আমাদের কিচ্ছু যায় আসে না।”
আপাতত রাজামৌলির মেগা প্রজেক্টের কাজ এবং নিকের সঙ্গে সুখী দাম্পত্য— দুই মিলিয়ে প্রিয়াঙ্কা যে বেশ খোশমেজাজে আছেন, তাঁর এই কড়া বয়ানই তার প্রমাণ।
