দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে, এবার মুখ খুললেন হিরণ

আমার মনে হয়, মানুষের রাজনৈতিক জীবন, সিনেমার জীবন, রাজনীতির আর একটা জীবন, এগুলো আলাদা। আমি একজন অ্যাকাডেমিশিয়ান হিসাবে নিজেকে অত্যন্ত গর্বিত মনে করি। মনে হয়, আমি পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র বিধায়ক যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা করার সুযোগ পেয়েছেন। যেটা নিয়ে সাংবাদিকরা খুব একটা বলতে চান না।

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে, এবার মুখ খুললেন হিরণ

|

Mar 18, 2026 | 10:21 AM

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বিতর্কের পর মুখ খুললেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বিধায়ক-অভিনেতা হিরণ TV9 বাংলার প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, ”আমার মনে হয়, মানুষের রাজনৈতিক জীবন, সিনেমার জীবন, রাজনীতির আর একটা জীবন, এগুলো আলাদা। আমি একজন অ্যাকাডেমিশিয়ান হিসাবে নিজেকে অত্যন্ত গর্বিত মনে করি। মনে হয়, আমি পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র বিধায়ক যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা করার সুযোগ পেয়েছে। যেটা নিয়ে সাংবাদিকরা খুব একটা বলতে চান না। হয়তো ভাবেন, কী করে একজন ফিল্মস্টার গবেষক হয়ে যেতে পারেন! এ তো ভারতবর্ষে মনে হয় আজ অবধি হয়নি। যাই হোক, প্রতিটা জিনিসের একটা স্পেস থাকে। এবং ভারতবর্ষের মতো একটা স্বাধীন দেশে, সেই স্পেস দেওয়া দরকার। প্রতিটা মানুষকে তাঁর সেই স্পেসে ছেড়ে দেওয়া দরকার।”

হিরণ যোগ করেন, ”সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে বহু সেলিব্রিটিকে দেখেছি খুব রিঅ্যাক্ট করতে। আমি যাঁদের ভালোবাসি, এমন মানুষও আছেন। কেউ দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, কেউ অমুকের স্ত্রীকে নিয়ে চলে গিয়েছেন, তাঁরাও একটা সময় বলেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াতে এত নোংরা কথা বলতে পারে, তা কল্পনার বাইরে। আমি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম’। বাবা-মাকে টেনে গালাগাল দেওয়া হয়েছে।”

আপনার ক্ষেত্রেও, তীব্র সমালোচনা হয়েছে…এ কথা শুনেই হিরণ বলেন, ”একটাই কথা বলব, বিষয়টা মহামান্য আদালতের কাছে বিচারাধীন। ভারতীয় সংবিধানে সৌভাগ্যবশত বা দুর্ভাগ্যবশত, বিচারকের আসন এখনও সংবাদ সংস্থা বা সোশ্যাল মিডিয়া পায়নি। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে কথা বলিনি। আমি জামিন পেয়েছি। আদালতের রায়কে সম্মান করা উচিত। ঘরের বিষয় যখন ঘরে থাকে না, পুলিশের কাছে যায় বা আদালতের কাছে যায়, তখন আদালতকে সম্মান করাই আমার কর্তব্য। ৬মে পর্যন্ত আমি আইন প্রণেতা। একজন আইন প্রণেতা হিসাবে আদালতকে সম্মান করতে চাই।” অভিনেতা আরও বলেন, ”কাউকে ছোট করে বড় হওয়ার স্বভাব অনেকের ছিল, আছে, থাকবে। তাঁদের সম্মান করি। প্রত্যেকের আলাদা চয়েস থাকে। সে কীভাবে সমাজের কাছে নিজেকে পরিচিত করতে চায়। যে যা বলে আমি শুনি। কিন্তু যেটা ঠিক মনে করি, সেই পথে চলি।”

Follow Us