Katrina Kaif: মা হওয়ার পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ! আর চুপ করে থাকতে পারলেন না ভিকি-পত্নী
Katrina Kaif pregnancy: মা হওয়ার পর আম্বানিদের গণেশ পুজোয় প্রথমবার স্বামী ভিকি কৌশলের সঙ্গে প্রকাশ্যে এসেছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। কিন্তু জীবনের এই সুন্দর মুহূর্তে এমন এক তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখে তাঁকে পড়তে হবে, তা হয়তো ভাবেননি নায়িকা। সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার ট্রোলিংয়ের পর এবার দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে সপাটে জবাব দিলেন তিনি। 'বাউন্স ব্যাক করার প্রশ্নই ওঠে না', হঠাৎ কাদের উদ্দেশ্যে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ভিকি-পত্নী?

সোশাল মিডিয়ায় অন্যের চেহারা নিয়ে কাটাছেঁড়া করাটা আজকাল নেটিজেনদের একাংশের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর আম্বানি পরিবারের গণেশ পুজোয় প্রকাশ্যে আসার পর ক্যাটরিনার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি চেহারা নিয়েও নেটপাড়ায় বিস্তর চর্চা শুরু হয়। ‘আগে কেমন ছিলেন, এখন কেমন হয়েছেন’—এমন তুলনামূলক পোস্টও চোখে পড়ে। তবে অন্যের তৈরি করে দেওয়া এই মাপকাঠিতে নিজেকে বিচার করতে নারাজ বলিউড ডিভা। অবশেষে এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।
কী বলেছেন ক্যাটরিনা?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ট্রোলারদের একহাত নিয়েছেন নায়িকা। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, “আমরা এমন একটা পৃথিবীতে থাকি, যেখানে মানুষের মতামত ক্ষণে ক্ষণে বদলায়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একটা মেয়ের শরীরে ঠিক কী কী বদল আসে, তা কমবেশি সবারই জানা। তারপরেও যদি কেউ কড়া নজরে খুঁত ধরে, তবে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। না জানার কোনও অজুহাত এখানে খাটে না, কারণ এখন সব তথ্যই হাতের মুঠোয়। আমি এখন আমার জীবনের এই সুন্দর সময়টার দিকেই শুধু মন দিতে চাই।”
সমাজে একটা অলিখিত নিয়ম আছে। মা হওয়ার পর নায়িকাদের নাকি ম্যাজিকের মতো চটজলদি পুরনো চেহারায় ফিরতে হবে। যাকে চলতি কথায় বলে ‘বাউন্স ব্যাক’। এই শব্দটিতেই প্রচণ্ড আপত্তি ভিকি-পত্নীর। তিনি পালটা প্রশ্ন তুলে বলেন, “বাউন্স ব্যাক? কোথা থেকে করব? আমি তো জীবনে একটা ধাপ এগিয়ে গিয়েছি। মনের অনেক দিনের একটা ইচ্ছে পূরণ হয়েছে, তাহলে আবার পুরনো জায়গায় কেন ফিরে যেতে চাইব? চার বছরের একটা কঠিন লড়াইয়ের পর ভিকি আর আমি বিহানকে পেয়েছি। জন্মের পর ওর মুখটা দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি আমার ফিটনেস নিয়ে খুব সচেতন। আমি জানি কখন আমার শরীর সবচেয়ে ভালো থাকে। তবে সেই জায়গায় আমি পৌঁছব সম্পূর্ণ নিজের ছন্দে।”
মাতৃত্বের পর মেয়েদের শরীরের স্বাভাবিক বদলকে সমাজ যেভাবে বিচার করে, তা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন ক্যাটরিনা। তিনি বলেন, “মেয়েদের শরীরের যা কিছু খুব স্বাভাবিক, যেমন মাতৃত্বের পর ত্বকের বদল, চেহারার গঠন সেগুলোকে আজকাল ‘কুৎসিত’ বা ‘অসুখ’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” অন্যের কথায় কান দিতে নারাজ ক্যাটরিনা। অন্যের ঠিক করে দেওয়া নিয়মে নয়, তিনি নিজের জীবন বাঁচতে চান নিজের শর্তে।
