হাতে মাত্র ৫ মাস সময়, অস্মিকার পাশে এবার অভিনেত্রী পায়েল সরকার
Payel Sarkar: বাবার মোবাইলে TV9 বাংলায় অস্মিকার কণ্ঠস্বর শুনে সে তার টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ৬ হাজার টাকা তুলে দেয় পরিবারের হাতে। তাদের সকলের আবেদন সবাই যদি অস্মিকার পাশে দাঁড়ায় তাহলে হাসি ফুটবে পরিবারের।

অস্মিকার পাশে TV9 বাংলা, সেই খবর সম্প্রচার দেখে অভিনেত্রী পায়েল মিঠাই সরকার অস্মিকার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এলেন এবার। পাশাপাশি TV9 বাংলার খবরে দেখে অনুপ্রাণিত হয় মুর্শিদাবাদের বাসিন্দার ছয় বছরের ছোট বর্ষা। বাবার মোবাইলে TV9 বাংলায় অস্মিকার কণ্ঠস্বর শুনে সে তার টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ৬ হাজার টাকা তুলে দেয় পরিবারের হাতে। তাদের সকলের আবেদন সবাই যদি অস্মিকার পাশে দাঁড়ায় তাহলে হাসি ফুটবে পরিবারের।
আমরাই প্রথম রানাঘাটের দাস পাড়ার এক ছোট্ট ফুটফুটে মেয়ে অস্মিকা দাসের খবর সম্প্রচার করেছিলাম। সে এক বিরাট জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছে। স্পাইনাল মাসকুলার এট্রফি SMA Type 1 আক্রান্ত হওয়ার কারণে চিকিৎসার জন্য দরকার প্রচুর টাকা। যা পরিবারের সমর্থের বাইরে। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ১৬ কোটি টাকা। অস্মিকার বাবার একার পক্ষে সম্ভব নয়, এই এত পরিমাণ টাকা জোগাড় করা। উঠেছে বেশ খানিকটা, তবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন আরও অনেক টাকার।
মেয়ের অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার জন্য নানান জায়গায় অস্মিকার অভিভাবককে যেতে হয়, ফলে তিনি তাঁর কাজটাও হারিয়েছেন। এখন তাঁদের সংসার চলে অস্মিকার দাদুর সামান্য কিছু পেনশনের টাকায়। তাই বাধ্য হয়ে অস্মিকার চিকিৎসার জন্য ইম্প্যাক্ট গুরু নামে একটি ক্লাউড ফান্ডিং খোলেন তাঁরা। যাতে সাধারণ মানুষ থেকে বিভিন্ন সেলিব্রেটিরা তার চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে পারে। অস্মিকার বয়স এখন ১ বছর ৩ মাস হাতে সময় আর ৫ মাস মতো। বাকি এই ৫ মধ্যে এতগুলো টাকা লাগবে। তার চিকিৎসার জন্য বহু সাধারণ মানুষ ও সেলিব্রিটিরা সাহায্য করেছে অস্মিকার চিকিৎসার জন্য। এখনও বাকি প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। অস্মিকার বাবা শুভঙ্কর দাস ও মা লক্ষ্মী দাস টিভি৯ বাংলার কাছে হাতজোড় করে আবেদন করেছেন যে, টিভি নাইন বাংলার সকল দর্শক খবর দেখে যে পরিমাণ টাকা এখনও বাকি আছে তার জন্য যদি সাহায্য করেন, তাতে একটি মেয়ের জীবন বেঁচে যায়।
