Rajarhat Assembly Election: ‘অঙ্ক শেখান ভালো করে..হুমকি কেন?’, রাজারহাটে অঙ্কের মাস্টারকে ফোন করে যা বোঝানোর বুঝিয়ে দিল কমিশন
West bengal Assembly Election 2026: তারপরই কঠিন কণ্ঠস্বরে দাওয়াই, 'সাবধানে থাকবেন। যেটা করছেন সেই অভিযোগ যেন আর না পাই। আর যদি অভিযোগ আসে তাহলে সোজা শ্রীঘরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।' তারপরই উল্টো দিকে 'মিনমিন' শব্দ, "না স্যর না স্যর, আমিতো অঙ্কের স্যর।"

কলকাতা: ছাব্বিশের ভোটে বেজায় কড়া নির্বাচন কমিশন। ভোট নিয়ে একটুও যে ঢিলেমি তারা দেবে না তা আগেই বুঝিয়েছে। এবার কাজেও করল কমিশন। রাজারহাটের এক অঙ্কের মাস্টার মশাই। নিতান্তই সাদামাটা পরিচয়। সেই ‘ভাজা মাছ উলটে খেতে না পারা’ মাস্টারমশাইকে বিকেলে ফোন বিশেষ পর্যবেক্ষকের। সটান প্রশ্ন, রাজারহাটে হুমকি দিচ্ছেন কেন? অঙ্ক শেখান ভালো করে। হুমকি কেন? প্রশ্ন বিশেষ পর্যবেক্ষককের।
কিন্তু কেন এমনটা বলতে হল?
ঘটনাটি কোনও ছায়া ছবির সংলাপ নয়। সরাসরি কমিশনের ঠান্ডা দাওয়াই। কমিশনে অভিযোগ আসে রাজারহাট গোপালপুর এলাকায় চারজন ব্যক্তি ভোটারদের হুমকি দিচ্ছেন। অভিযোগ, আসতেই সোজা ফোন তাঁদেরই একজনের কাছে কমিশনের। যিনি আবার পেশায় অঙ্কের শিক্ষক। পর্যবেক্ষকের প্রশ্ন মৃদু গলায়, ‘আপনি কি বাকি তিনজনকে (আর যার যার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ) চেনেন। উত্তর এলো, হ্যাঁ।’
তারপরই কঠিন কণ্ঠস্বরে দাওয়াই, ‘সাবধানে থাকবেন। যেটা করছেন সেই অভিযোগ যেন আর না পাই। আর যদি অভিযোগ আসে তাহলে সোজা শ্রীঘরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।’ তারপরই উল্টো দিকে ‘মিনমিন’ শব্দ, “না স্যর না স্যর, আমিতো অঙ্কের স্যর।”
এভাবেই ভোটের আগের দিন কোথাও সিংহমের মতো কড়া ওষুধ, কোথাও বা সরাসরি ফোন করে কমিশনের মৃদু দাওয়াই। সূত্রের খবর, মাস্টার মশাইদের সন্ধ্যের পর আর দেখতে পাওয়া যায়নি।
