
সরস্বতী পুজো ও নেতাজি জয়ন্তীর দিনে, ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় ‘কাকাবাবু’ সিরিজ অবলম্বনে নির্মিত ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’। মুক্তির পর থেকেই ছবি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। অল্পবয়সীরা বেশ পছন্দ করছেন এই ছবি। ছবি নিয়ে আড্ডায় টিভি ৯ বাংলার ঘরের বায়োস্কোপ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্দার কাকাবাবু ওরফে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক চন্দ্রাশিষ রায়। ছবি এবং ছবির রিভিউ নিয়ে জমিয়ে আড্ডা দিয়েছেন চন্দ্রাশিস রায় এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
ছবি নিয়ে আলোচনার মাঝে আর্টিস্ট ফোরামের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে টিভি ৯ বাংলার পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয় অলিখিত ব্যান্ড কালচার নিয়ে। ঋদ্ধি সেন, অনির্বাণ ভট্টাচার্যদের ব্যান্ড করার বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন অভিনেতা? প্রসেনজিৎ এই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন “এটা একটা পরিস্থিতি হয়েছে এবং আমি আর্টিস্ট ফোরামের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট, আমি সত্যি কথা বলছি, এখানে বসে আমি প্রথমবার বলছি, অনেক রকম অ্যাজেন্ডা অনেক রকম সমস্যা আছে। এই সমস্যার প্রত্যেকটাকে অ্যাডজাস্ট করা যায়, প্রত্যেকটাকে মেটানো যায়। প্রত্যেককে এমন জায়গায় আসতে হবে যাতে ইগোর সমস্যা না হয়”। অভিনেতার মতে ” সকালে ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে রাতের ডিনার অবধি সবাই একসঙ্গে বস সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে”।
সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে বলে মনে করেন অভিনেতা। অভিনয় তাঁদের রুজি রুটি তাই কারোর কাজ চলে যাওয়া শ্রেয় নয় বলে মনে করেন তিনি। অভিনেতা নিজের স্ট্রাগল অতীত জীবনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন তিনি একবেলা খেয়ে বড় হয়েছেন, রোজ জল খেয়ে স্টুডিও তে গিয়েছেন এক সময়। কাজ সকলের রুজি রুটি তাই তাঁর মতে যে সমস্যা হয়ে আছে সমাধান প্রয়োজন। সবার একসঙ্গে কাজ করা উচিৎ।