বিজয়গড়ে রাহুলের মরদেহ, ছেলে সহজকে নিয়ে উপস্থিত প্রিয়াঙ্কা
বিজয়গড়ে এই দুপুর বড় শোকের। শুটিংয়ে গিয়ে প্রাণ নিয়ে আর ফিরতে পারলেন না টলিপাড়ার সকলের প্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯ মার্চ আসে মৃত্যুর খবর। সেদিন রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা দু' বার এলেও, সঙ্গে ছিল না রাহুল-প্রিয়াঙ্কার আদরের ছেলে সহজ।

বিজয়গড়ে এই দুপুর বড় শোকের। শুটিংয়ে গিয়ে প্রাণ নিয়ে আর ফিরতে পারলেন না টলিপাড়ার সকলের প্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯ মার্চ আসে মৃত্যুর খবর। সেদিন রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা দু’ বার এলেও, সঙ্গে ছিল না রাহুল-প্রিয়াঙ্কার আদরের ছেলে সহজ।
এক সূত্র জানায়, প্রিয়াঙ্কা রাহুলের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রথমে বিজয়গড়ের বাড়িতে আসেন। তারপর তিনি পূর্বালোকের বাড়িতে যান ছেলে সহজকে বিষয়টা জানানোর জন্য। পরে আবার রাতে প্রিয়াঙ্কা একাই আসেন বিজয়গড়ের বাড়িতে। ৩০ মার্চ দুপুরে বিজয়গড়ে প্রচণ্ড ভিড়। রাহুলকে শেষ দেখা দেখতে এলেন প্রতিবেশীরা, তাঁর বন্ধুরা, টলিপাড়ার বহু বন্ধুরা।
রাহুলের ঘরে বই আর বই। সেই বইয়ের দেশে শেষবার নিয়ে যাওয়া হল রাহুলের মরদেহ। তাঁর মা ছিলেন বাড়িতে। বিজয়গড়ে তখন তীব্র শোকের পরিবেশ। প্রিয়াঙ্কা নিয়ে এলেন সহজকে। সহজের প্রিয় বাবাকে একবার শেষ দেখা দেখার জন্য। এদিন ঊষসী চক্রবর্তী থেকে রূপাঞ্জনা মিত্র, সকলের চোখে ছিল জল।
বড় কঠিন ছিল সময়টা। এদিন কোনও স্টুডিয়োতে নিয়ে যাওয়া হবে না রাহুলকে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল পরিবারের তরফে। বিজয়গড়ের বাড়ি ঘুরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়তলা শ্মশানে। সেখানে রাহুলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
ছেলের নাম যেমন সহজ ছিল, তেমনই রাহুলের পডকাস্টের নাম ছিল সহজ কথা। শিশু দিবসের বিশেষ এপিসোডে বাবা-ছেলের কথোপকথন জমেছিল খুব। সেই এপিসোডে সহজকে দেখে অনেকেই বলেছিলেন, ”সহজ খুবই পরিণত”। পরিণত হয়ে থাকার এমন একটা দুর্বিসহ দিন যে আসতে পারে, তখন কে জানত!
