Rajpal Yadav: বকেয়া মেটাতে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করবেন রাজপাল যাদব, চেক বাউন্স মামলায় নতুন মোড়
Cheque Bounce Case: চেক বাউন্স সংক্রান্ত একটি পুরনো মামলায় অভিনেতার স্বস্তির পথ প্রশস্ত করে বুধবার তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করার প্রস্তাবে সম্মতি জানাল দেশের শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে বকেয়া অর্থ পরিশোধের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং টাকা জমা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিও ঠিক করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদবকে নিয়ে চলা দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েনে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির বাতাস। চেক বাউন্স সংক্রান্ত একটি পুরনো মামলায় অভিনেতার স্বস্তির পথ প্রশস্ত করে বুধবার তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করার প্রস্তাবে সম্মতি জানাল দেশের শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে বকেয়া অর্থ পরিশোধের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং টাকা জমা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিও ঠিক করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
রাজপাল যাদবের বিরুদ্ধে এই আইনি ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তাঁর নিজস্ব ছবি ‘আতা পতা লাপতা’ (Aata Pata Laapta)-কে কেন্দ্র করে নেওয়া একটি ঋণকে ঘিরে। সেই বকেয়া টাকা পরিশোধ নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ের জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। বুধবার এই মামলার শুনানি চলছিল দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানির সময় অভিনেতার আইনজীবীরা আদালতকে জানান যে, বকেয়ার পুরো টাকা মেটানোর জন্য ইতিমধ্যেই পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির বন্দোবস্ত করেছেন রাজপাল।
আদালতে জানানো হয়েছে যে, বকেয়া পরিশোধের জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ২ কোটি টাকার ব্যবস্থা করে ফেলেছেন অভিনেতা। এর মধ্যে ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার একটি ডিমান্ড ড্রাফট সরাসরি আদালতে জমা দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, বাকি ৮৫ লক্ষ টাকা রাজপালের সেই পৈতৃক সম্পত্তির সম্ভাব্য ক্রেতা আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমেই জমা দেবেন বলে আদালতকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। অভিনেতার এই সদিচ্ছা ও প্রস্তাব খতিয়ে দেখেই শীর্ষ আদালত তাঁকে সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণমুক্ত হওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অর্থ জমা পড়ার পর বকেয়া টাকার অবশিষ্ট অংশ পরিশোধের জন্য একটি পাকা পেমেন্ট শিডিউল বা পরিশোধের সূচি তৈরি করে দেওয়া হবে।
আদালতের এই ইতিবাচক পদক্ষেপে আপাতত কারাবাস বা বড় আইনি বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজপাল যাদব। তবে আইনি মহলের মতে, মামলার সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি পেতে হলে শীর্ষ আদালতের বেঁধে দেওয়া নিয়ম ও সময়সীমার মধ্যেই সমস্ত বকেয়া অর্থ নিখুঁতভাবে পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত দিনে টাকা জমা দেওয়াটাই এখন অভিনেতার কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
