Aratrika Sinha Madhyamik Success: সুরের মঞ্চে চতুর্থ থেকে মাধ্যমিকে বাজিমাত, কত শতাংশ নম্বর পেয়েছেন খুদে কমরেড আরাত্রিকা?
Singer Aratrika Sinha scores 71.57 percent in Madhyamik, proving her talent in both music and studies: পড়াশোনায় তাক লাগিয়ে দিলেন সারেগামাপা-খ্যাত গায়িকা আরাত্রিকা সিনহা, মাধ্যমিকে পেলেন অসাধারণ নম্বর। কী বলেছেন গায়িকা?

আরাত্রিকা সিনহা (Aratrika Sinha)— নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ‘সা রে গা মা পা’-এর সেই মঞ্চ, নিজের সুরেলা কণ্ঠে গোটা বাংলার মন জয় করে নিয়েছিল বাঁকুড়ার এই কিশোরী। ২০২৪ সালের সেই রিয়েলিটি শো-তে ফাইনালে উঠেও শেষমেশ ট্রফিটা অধরা ছিল তাঁর, সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল চতুর্থ স্থানে। কিন্তু সুরের সেই লড়াইয়ে হার না মানা মেয়েটি এবার জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা অর্থাৎ মাধ্যমিকের লড়াইয়ে কার্যত ছক্কা হাঁকাল। শুক্রবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, গানের খাতায় যেমন তিনি সফল, তেমনই পড়াশোনার রেজাল্টেও চমকে দিয়েছেন সকলকে।
শুক্রবার সকাল থেকেই যখন টপারদের নাম নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় জোর চর্চা, ঠিক তখনই ফেসবুকের দেওয়ালে একটি রহস্যময় পোস্ট করেন কমরেড আরাত্রিকা। কোনও শব্দ নেই, শুধু লেখা একটি সংখ্যা-‘৫০১’। ব্যস, সেটুকুই ছিল গায়িকার সাফল্যের খতিয়ান। ভক্তরা বুঝতে দেরি করেননি যে, মাধ্যমিকে মোট ৫০১ নম্বর পেয়েছেন তিনি। শতাংশের হিসেবে যা প্রায় ৭১.৫৭। ফার্স্ট ডিভিশন নিয়ে এই দারুণ রেজাল্ট আসতেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন বাঁকুড়ার এই কন্যে। নেটিজেনদের কথায়, “গানের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও তুমি সেরা।”
আরাত্রিকার সাফল্যের এই পথটা কিন্তু খুব একটা সহজ ছিল না। রিয়েলিটি শো চলাকালীন দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে শ্যুটিং ফ্লোরে। শো-এর খাতিরে মাসের পর মাস পড়াশোনা থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। তবে আরাত্রিকা হাল ছাড়েননি। পরিবারের তরফে কোনওদিন পড়াশোনা নিয়ে কড়া চাপ দেওয়া হয়নি ঠিকই, কিন্তু নিজের জেদেই মিউজিক আর টেক্সটবইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেছিলেন তিনি। আত্মীয়-স্বজন ও মা-বাবার নিরন্তর উৎসাহই আজ তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
২০২৪-এর ফাইনালে চতুর্থ স্থান অর্জন করা সেই খুদে গায়িকা আজ এক জন সফল পরীক্ষার্থী। মাধ্যমিকের এই সাফল্য তাঁর কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি, কারণ এর পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম। ভক্তদের দাবি, ভবিষ্যতে সঙ্গীতের মঞ্চ তো বটেই, উচ্চশিক্ষার পথেও এভাবেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবেন আরাত্রিকা। পড়াশোনা আর সুর যে একে অপরের পরিপূরক হতে পারে, বাঁকুড়ার এই খুদে শিল্পী তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল।
