AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কেন নায়কদের পারিশ্রমিক বেশি? বলিউডে ‘পারিশ্রমিক-বৈষম্য’ নিয়ে বিস্ফোরক সইফ আলি খান

তবে সইফের এই যুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রশ্ন উঠছে, আলিয়া ভাট বা কঙ্গনা রানাওয়াতের মতো অভিনেত্রীরা যখন একার কাঁধে ছবি টেনে নিয়ে যান, তখনও কেন তাঁরা অনেক মাঝারি মানের নায়কদের চেয়ে কম পারিশ্রমিক পান? সইফ অবশ্য মনে করেন, যদি দুজন শিল্পী সমমানের জনপ্রিয় হন, তবেই তাঁদের সমান টাকা পাওয়া উচিত।

কেন নায়কদের পারিশ্রমিক বেশি? বলিউডে ‘পারিশ্রমিক-বৈষম্য’ নিয়ে বিস্ফোরক সইফ আলি খান
Image Credit: wikipedia
| Updated on: Mar 09, 2026 | 6:01 PM
Share

বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় একটা প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে- কেন একই ছবিতে কাজ করা সত্ত্বেও অভিনেত্রীরা অভিনেতাদের তুলনায় অনেকটা কম পারিশ্রমিক পান? দীপিকা পাড়ুকোন থেকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, অনেকেই এই ‘লিঙ্গ বৈষম্য’ নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিন্তু এবার এই ইস্যু নিয়েই একেবারে উল্টো সুরে কথা বললেন পতৌদির নবাব সইফ আলি খান। সইফের সাফ কথা, এই বৈষম্য লিঙ্গভিত্তিক নয়, বরং এটা একটা ‘ব্যালেন্সড ইকোনমিক সিস্টেম’ বা ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

সম্প্রতি বোন সোহা আলি খানের পডকাস্টে হাজির হয়ে বিনোদন জগতের এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে মুখ খোলেন সইফ। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা কুণাল খেমুও। সেখানেই সইফ দাবি করেন, পারিশ্রমিকের এই ফারাক কোনওভাবেই লিঙ্গভেদের ওপর নির্ভর করে না, বরং কার কতটা ‘বক্স অফিস পুল’ বা দর্শক টানার ক্ষমতা রয়েছে, সেটাই আসল কথা।

আসল চাবিকাঠি কি তবে টিকিট বিক্রিতেই?

সইফ মনে করেন, বলিউডের অর্থনীতি আবেগ দিয়ে চলে না, কতজন দর্শক টিকিট কেটে সিনেমা দেখছেন তার ওপরই অর্থনীতি নির্ভর করে। তিনি বলেন, “যদি আপনি থিয়েটারে দর্শকদের সিটে বসাতে পারেন, তবেই আপনি সেই অনুযায়ী টাকা পাবেন। এই বিষয়টা ইন্ডাস্ট্রির সবাই খুব ভালোভাবেই বোঝেন।” তাঁর মতে, একজন শিল্পী পুরুষ না কি নারী, সেটা বিচার্য নয়; বিচার্য হল তাঁর নামে কত টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে। যারা সুপারস্টার এবং যাদের ছবি দেখতে মানুষ প্রেক্ষাগৃহে ভিড় জমান, তাঁরাই নিজেদের দর হাঁকান এবং সেই অনুযায়ী দাম পান।

কেন পিছিয়ে মহিলারা?

সইফের সুরে সুর মিলিয়ে কুণাল খেমুও বিষয়টিকে একটি ‘গাণিতিক সমীকরণ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর দাবি, ডিস্ট্রিবিউটর বা পরিবেশকরা আগেই হিসেব কষে দেখেন যে অমুক অভিনেতাকে নিলে নির্দিষ্ট একটি এলাকা থেকে কত টাকা উঠে আসবে। অর্থাৎ, বিনিয়োগের টাকা ফেরত পাওয়ার গ্যারান্টি যেখানে বেশি, সেখানেই পারিশ্রমিক বেশি।

তবে সইফের এই যুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রশ্ন উঠছে, আলিয়া ভাট বা কঙ্গনা রানাওয়াতের মতো অভিনেত্রীরা যখন একার কাঁধে ছবি টেনে নিয়ে যান, তখনও কেন তাঁরা অনেক মাঝারি মানের নায়কদের চেয়ে কম পারিশ্রমিক পান? সইফ অবশ্য মনে করেন, যদি দুজন শিল্পী সমমানের জনপ্রিয় হন, তবেই তাঁদের সমান টাকা পাওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে দর্শক টানার ক্ষমতায় নায়করা এগিয়ে থাকেন বলেই তাঁদের ব্যাঙ্ক-ব্যালেন্স বেশি ভারী হয়— এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন তিনি। রুপোলি পর্দার এই বৈষম্যর পিছনে কী পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাও কাজ করে? সইফের মন্তব্যের পর এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

Follow Us