Salman Khan: ‘সলমনের সঙ্গে গান্ধীর অনেক মিল রয়েছে’, কেন এমনটা বললেন সেলিম খান?
Salim Khan Talk about salman khans Anger issue: ২৭ বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন তাঁর বাবা সেলিম খান। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া সেই সাক্ষাৎকারের স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, সেলিম খান দাবি করেছেন যে সলমনের মধ্যে থাকা ‘রাগ’ আসলে একটি ইতিবাচক আবেগ। তাঁর মতে, সলমনকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে।

সলমন খান মানেই কি কেবল মেজাজ হারানো আর বিতর্ক? ২৭ বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন তাঁর বাবা সেলিম খান (Selim Khan)। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া সেই সাক্ষাৎকারের স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, সেলিম খান দাবি করেছেন যে সলমনের মধ্যে থাকা ‘রাগ’ আসলে একটি ইতিবাচক আবেগ। তাঁর মতে, সলমনকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে যখন সেলিম খানকে জিজ্ঞেস করা হয় যে সলমন (Salman Khan) কেন এত অল্পতেই রেগে যান? উত্তরে সেলিম খান বলেন, “সলমন অল্পেতে রেগে যায় না, ওর ভেতরে অনেক রাগ আছে। আর রাগের মধ্যে কোনও ভুল নেই। বরং বর্তমান প্রজন্মের বড় সমস্যা হল তাদের মধ্যে কোনো রাগ নেই।” তিনি আরও যোগ করেন, “রাস্তায় কোনও নারী হেনস্থা হতে দেখলে সলমন চোখ ফিরিয়ে নেয় না, বরং প্রতিবাদ করে। সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারলে রাগ হল অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক আবেগ।”
সবচেয়ে চমকে দেওয়ার মতো বিষয় হল, ছেলের রাগকে জাস্টিফাই করতে গিয়ে সেলিম খান বিশ্ববরেণ্য নেতাদের উদাহরণ টেনেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “অবিচার, দারিদ্র্য এবং নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে সলমনের প্রচণ্ড রাগ রয়েছে। ব্রিটিশ রাজ বা অবিচারের বিরুদ্ধে কি মহাত্মা গান্ধীর রাগ ছিল না? মার্টিন লুথার কিং-এর কথা ভাবুন, তাঁর মধ্যেও কি রাগ ছিল না?”
সলমনের রাগের প্রকাশ কেন হিংসাত্মক হয়— এই প্রশ্নের উত্তরে সেলিম খান বলেন, “কাউকে বারবার বুঝিয়েও যদি সে না বোঝে, তবে হিংসার আশ্রয় নেওয়া স্বাভাবিক হয়ে পড়ে। পুলিশও তো অপরাধ কবুল করাতে শক্তি প্রয়োগ করে। সংবাদমাধ্যম কেবল সোমি আলির মাথায় ড্রিঙ্ক ঢেলে দেওয়ার কথা লেখে, কিন্তু সলমন যে কতবার দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার করেছে, তা নিয়ে কেউ লেখে না।”
সেলিম খান দাবি করেন, সলমন অত্যন্ত স্পর্শকাতর একজন মানুষ। বড় পরিচালকদের বদলে তিনি অনেক বেশি নতুন পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। এমনকি মাধুরী দীক্ষিত বা শ্রীদেবীর মতো বড় নায়িকাদের বদলে চাঁদনি বা শিবার মতো নতুন অভিনেত্রীদের সঙ্গেও কাজ করেছেন কেবল তাঁদের সাহায্য করার জন্য। শেখর কাপুরের সহকারীকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া থেকে শুরু করে মজরুহ সুলতানপুরীকে সাহায্য করা— সলমনের এমন অনেক মানবিক দিক আড়ালেই থেকে গিয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তাঁর বাবা।
