গালওয়ান বিতর্কের মাঝেই ‘সাবধানী’ সলমন? কেন?
এই ছবি যেহেতু একটি বাস্তব সামরিক সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে তৈরি, তাই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সেনাবাহিনীর সম্মান ও দেশের আবেগের কথা মাথায় রেখে ছবির প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে নির্মাতাদের তরফ থেকে।

সলমন খানের আসন্ন ছবি ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় ঘটা ভারত–চিন সীমান্ত সংঘর্ষের প্রেক্ষাপট নিয়েই এই ছবি। তবে ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে নির্মাতাদের মধ্যে। চলতি বছর ১৭ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ছবিটি। কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ছবিটি মুক্তি নাও পেতে পারে। ছবিটির মুক্তির তারিখ কিছুটা পিছিয়ে দিতে পারেন নির্মাতারা।
কেন মুক্তি পিছিয়ে যেতে পারে?
সুত্রের খবর ছবিটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। যুদ্ধের দৃশ্য ও আবেগঘন মুহূর্তগুলিকে আরও বাস্তব ভাবে তুলে ধরার জন্য আবারও হচ্ছে শুটিং। শোনা যাচ্ছে সলমন নিজেও সম্প্রতি প্রায় পনেরো দিনের একটি বিশেষ শুটিং শিডিউলে অংশ নিয়েছেন, যেখানে ছবির গুরুত্বপূর্ণ অংশ নতুন করে করা হয়েছে। নির্মাতারা চাইছেন, বাস্তব যুদ্ধের আবহ যেন আরও বিশ্বাসযোগ্যভাবে বড় পর্দায় ফুটে ওঠে।
বাস্তব ঘটনা হওয়ায় বাড়তি সতর্কতা
এই ছবি যেহেতু একটি বাস্তব সামরিক সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে তৈরি, তাই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সেনাবাহিনীর সম্মান ও দেশের আবেগের কথা মাথায় রেখে ছবির প্রতিটি দৃশ্য নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে নির্মাতাদের তরফ থেকে।
তাড়াহুড়ো নয়, নিখুঁত উপস্থাপনাই নির্মাতাদের লক্ষ্য। ছবিটির সম্পাদনা, বিশেষ দৃশ্যের কাজ এবং শব্দ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আরও সময় দেওয়া হচ্ছে। নির্মাতাদের উদ্দেশ্য একটাই—ছবিটিকে শুধুমাত্র একটি বড় বাজেটের ছবি হিসেবে নয়, বরং ভারতীয় সেনার সাহস ও আত্মত্যাগের গল্পকে সঠিক ভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা।
এখনও পর্যন্ত ছবিটির নতুন মুক্তির তারিখ নিয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের আলোচনা বলছে, সব কাজ ঠিকঠাক শেষ না হলে ছবিটি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের বদলে শেষের দিকে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
