মদ্যপ অবস্থায় পার্টিতে পরিচালককে মারধর সলমনের! কী কান্ড ঘটিয়েছিলেন ভাইজান?
পরদিন সকালে সলমন নিজেই বাবাকে জানান ঘটনাটা। সেলিম প্রথমেই জানতে চান তাঁর অনুশোচনা হচ্ছে কি না। সালমান বলেন, হ্যাঁ। মদের নেশাতেই এই ভুল করেছিলেন বলে বাবার কাছে স্বীকার করেন সলমন। তখন সেলিম ছেলেকে সোজাসুজি পরামর্শ দেন “ফোন করে ক্ষমা চাও।” বাবার আদেশ মানার পরই অভিনেতার সঙ্গে পরিচালকের ঝামেলা মিটে যায়, এমনকী পরে তাঁরা একসঙ্গে ছবিও করেন।

মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ ব্রেন হেমারেজের পর দ্রুত মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খানকে। পারিবারিক চিকিৎসক প্রথমে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান, পরে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের বক্তব্য, অবস্থা “অত্যন্ত সংকটজনক” নয়, তবে সতর্কতার জন্য ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। নিউরোলজিস্ট ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে সেলিম খানের একটি পুরনো সাক্ষাৎকার। বাবা হিসেবে কেমন তিনি? সেলিম খান জানান, এক পার্টিতে মদ্যপ অবস্থায় সলমন খান-এর সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন পরিচালক সুভাষ ঘাই। বিষয়টি স্বাভাবিক পর্যায় না এসে উল্টে হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়।
পরদিন সকালে সলমন নিজেই বাবাকে জানান ঘটনাটা। সেলিম প্রথমেই জানতে চান তাঁর অনুশোচনা হচ্ছে কি না। সলমন বলেন, হ্যাঁ। মদের নেশাতেই এই ভুল করেছিলেন বলে বাবার কাছে স্বীকার করেন সলমন। তখন সেলিম ছেলেকে সোজাসুজি পরামর্শ দেন “ফোন করে ক্ষমা চাও।” বাবার আদেশ মানার পরই অভিনেতার সঙ্গে পরিচালকের ঝামেলা মিটে যায়, এমনকী পরে তাঁরা একসঙ্গে ছবিও করেন।
সেলিম খোলাখুলি স্বীকার করেছিলেন, রাগ তাঁদের পরিবারের “জেনেটিক সমস্যা”। তবে সেই রাগকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি, বিশেষত মদ্যপ অবস্থায়। তিনি বলেছিলেন, যদি মদ খাওয়ার পর যদি নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে একেবারেই না খাওয়া ভালো।
ছেলের ভুল নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে পিছপা হননি সেলিম। তবে ছেলের প্রতি ভালোবাসা নিঃশর্ত। “ভুল করলে সমর্থন করব না, কিন্তু ভালোবাসা কমবে না”—এমনই সোজাসাপটা স্বীকারোক্তি ছিল তাঁর।
সেলিমের হাসপাতালে ভর্তির খবর ছড়াতেই ছুটে যান স্ত্রী সালমা খান ও হেলেন। সঙ্গে ছিলেন সলমন ও লুলিয়া ভান্তুর। পুরনো সহকর্মী জাভেদ আখতারও দেখা করতে যান। এখন সকলেই সেলিমের সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।
