সময় খারাপ যাচ্ছিল সায়কের! সৌভাগ্য টানতে কোন নতুন পথে হাঁটলেন?
সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় লাইমলাইটে থাকা যেমন আনন্দের, তেমনই মাঝেমধ্যে তা বয়ে আনে তীব্র মানসিক চাপ। বিগত বেশ কিছু সময় ধরে নানা বিতর্ক এবং নেটপাড়ার লাগাতার ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীকে।

সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় লাইমলাইটে থাকা যেমন আনন্দের, তেমনই মাঝেমধ্যে তা বয়ে আনে তীব্র মানসিক চাপ। বিগত বেশ কিছু সময় ধরে নানা বিতর্ক এবং নেটপাড়ার লাগাতার ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীকে। তবে এবার আর ট্রোলারদের পাত্তা না দিয়ে নিজের জীবনের গতিপথ ইতিবাচক দিকে ঘোরাতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তিনি। আর এই ‘মিশন পজিটিভিটি’র প্রথম ধাপ হিসেবে নিজের নামের বানানে বদল আনলেন অভিনেতা।
সম্প্রতি নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টের মাধ্যমে অনুরাগী ও বন্ধুদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান সায়ক। তিনি লেখেন, “আমার ফেসবুকের নাম ‘Sayak’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে এখন ‘Sayakk’ হয়েছে। সার্চ বা ট্যাগ করার সময় দয়া করে এই নতুন বানানটি ব্যবহার করবেন। অনেক ভালোবাসা সবাইকে!”
হঠাৎ কেন নামের শেষে অতিরিক্ত একটি ‘K’ (কে) যোগ করলেন অভিনেতা, তা নিয়ে স্বভাবতই অনুরাগী মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যের আসল কারণ নিয়ে ‘টিভি নাইন বাংলা’-র কাছে মুখ খুলেছেন সায়ক নিজেই। নিজের জীবনের কঠিন সময়ের কথা অকপটে স্বীকার করে নিয়ে অভিনেতা বলেন, “গত তিন-চার মাস ধরে আমার খুব খারাপ সময় চলছিল। মানুষের যখন খারাপ সময় চলে, তখন মনে হয় কী করলে সময়টা ভালো করা যায়। সেই জন্যই একজন নিউমেরোলজিস্টের কাছে যাই এবং নামের বানানটা বদলাই। আমার সমাজমাধ্যমের অন্যান্য অ্যাকাউন্টে নামের বানান বদলেছিলাম আগেই, কিন্তু ফেসবুক কিছুতেই বদলাতে দিচ্ছিল না। অবশেষে এখন সেটা করতে পেরেছি।”
সায়ক আরও যোগ করেন যে, নামের বানান বদলানোর পর থেকেই তিনি অনুভব করছেন যে তাঁর খারাপ কেটে যাওয়া দিনগুলো আস্তে আস্তে ভালোর দিকে মোড় নিচ্ছে। শুধু পেশাগত বা সোশ্যাল মিডিয়ার জগতেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল যা তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল বলে জানান তিনি।
সংখ্যা জ্যোতিষের নিয়ম মেনে সায়ক কেবল নিজের নামের বানানই বদলাননি, পরিবর্তন এনেছেন নিজের মোবাইল নম্বরেও। তিনি জানান, তাঁর আগের ফোন নম্বরটির সংখ্যাতাত্ত্বিক যোগফল তাঁর জীবনে অশুভ প্রভাব ফেলছিল। তাই এমনভাবে নতুন ফোন নম্বরটি বেছে নিয়েছেন, যার যোগফল তাঁর জীবনে শুভ সময় বয়ে আনে।
সায়কের কথায়, “নামের বানান এমনভাবে বদলেছি, যাতে এই মুহূর্তে আমার নিউমেরোলজি নম্বর হয়ে যাচ্ছে ‘১’ (এক), যা জ্যোতিষশাস্ত্রে সূর্যের নম্বর হিসেবে পরিচিত। আমি আশা করছি এই নম্বরটি আমার জীবনে অত্যন্ত শুভ ফল দেবে।”
তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে সায়ক জানিয়েছেন, আজকের দিনে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য নিউমেরোলজিস্ট খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। তাই কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে, প্রথমে নিজে ভালো করে যাচাই ও পরামর্শ করে তবেই এই পথে হাঁটা উচিত। পর্দায় ও পর্দার বাইরে সায়কের এই নতুন পথচলা তাঁর জীবনে সত্যিই কতটা সোনা ফলায়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় তাঁর লাখো অনুরাগী।
