নাচের সময় পিরিয়ড, প্রচণ্ড কষ্ট বলিউড নায়িকার, সত্যি সামনে এলো

'ধুরন্ধর'-এর গান ‘শরারত’ এখনও পার্টির অ্যান্থেম হিসেবে দাপটের সঙ্গে চলছে। অভিনেত্রী আয়েশা খান, যিনি এই গানে ক্রিস্টাল ডি’সুজার সঙ্গে পারফর্ম করেছেন, সম্প্রতি জানিয়েছেন যে শুটিংয়ের সময় তিনি পিরিয়ডে থাকায় পুরো অভিজ্ঞতাটি তাঁর জন্য ভীষণই চাপের ছিল।

নাচের সময় পিরিয়ড, প্রচণ্ড কষ্ট বলিউড নায়িকার, সত্যি সামনে এলো

| Edited By: Bhaswati Ghosh

Feb 09, 2026 | 1:38 PM

‘ধুরন্ধর’-এর গান ‘শরারত’ এখনও পার্টির অ্যান্থেম হিসেবে দাপটের সঙ্গে চলছে। অভিনেত্রী আয়েশা খান, যিনি এই গানে ক্রিস্টাল ডি’সুজার সঙ্গে পারফর্ম করেছেন, সম্প্রতি জানিয়েছেন যে শুটিংয়ের সময় তিনি পিরিয়ডে থাকায় পুরো অভিজ্ঞতাটি তাঁর জন্য ভীষণই চাপের ছিল।

‘শরারত’-এর মাধ্যমে আয়েশা খান  ডান্সিং কুইন হয়ে উঠেছেন। একই সময়ে আয়েশাকে কপিল শর্মার সঙ্গে একটা ছবিতে দেখা গিয়েছে। তবে ২৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে খ্যাতি এনে দিয়েছে ‘ধুরন্ধর’ই। কোরিওগ্রাফার বিজয় গাঙ্গুলি ‘শরারত’-এর এমন একটি হুক স্টেপ তৈরি করেছেন, যা অসম্ভব জনপ্রিয়। যদিও আয়েশার জন্য এই নাচের স্টেপগুলো ঠিকভাবে আয়ত্ত করা সহজ ছিল না। শুটিং সেটের নানা গল্প শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জানান, পার্টি সং-এর শুটিংয়ের সময় তিনি পিরিয়ডে ছিলেন। তাঁর এই স্বীকারোক্তি এখন কাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও ধারাবাহিকতার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেন, ‘শরারত’-এর বিশাল সাফল্যে তিনি আনন্দে চোখের জল ফেলেছিলেন। শুটিংয়ের কষ্টের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “দুই দিনের শুট ছিল। ভীষণ ক্লান্তিকর ছিল। শুটের সময় আমি পিরিয়ডে ছিলাম, আর তখন আপনি জানেনই—নিজের সেরা অবস্থা মনে হয় না, শরীর ফোলা থাকে, সবকিছু ঠিকঠাক লাগে না। যদি আমি আমার সেরা অবস্থায় থাকতে পারতাম, খুবই ভালো হতো। টানা দুই দিন প্রচণ্ড কাজ ছিল। কেউ কেউ জিজ্ঞেস করছিল সেটে সব কিছু কেমন ছিল, কারণ আমরা নিজেরাই ঠিক বুঝতে পারছিলাম না কী হচ্ছে, কে কে সেটে আছে।”

আয়েশা আরও জানান, শুটিংয়ে এতটাই ব্যস্ততা ছিল যে ওই দুই দিনের মধ্যেই রণবীর সিং ও সারা অর্জুনের বিয়ের দৃশ্যও শুট করার কথা ছিল, যা ‘শরারত’ গানের ব্যাকগ্রাউন্ডে দেখা যায়। “আমাদের করার মতো কাজ ছিল অসংখ্য, সময় একেবারেই ছিল না। আমরা এত নাচ করেছিলাম যে শরীরের হাড় পর্যন্ত ব্যথা করছিল। তার ওপর পিরিয়ডে থাকার কারণে হয়তো আমার আবেগও বেশি কাজ করছিল। তাই নিজেকে সামলাতে পারিনি এবং কেঁদে ফেলেছিলাম। ওগুলো ছিল খুশির চোখের জল,” — যোগ করেন আয়েশা।