‘আমাকে তো কেওড়াতলাতেও দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল…’, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই যা বললেন ইমন
এমনকী, রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার পাওয়ার পর, ইমনকে শুনতে হয়েছিল চটি চাটা কটাক্ষও। শুনতে হয়েছিল, তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়ানোর জন্যই নাকি এসব পুরস্কার। তবে অবশেষে মঙ্গলবার সব জল্পনার অবসান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর স্পষ্ট হল, ইমন ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না।

তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নাকি বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে চলেছেন সঙ্গীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। এমনকী, গুঞ্জনে ছিল উত্তরপাড়া থেকেই নাকি তিনি ভোটে লড়বেন। সেই গুঞ্জনের উপর ভর করেই নানা কটাক্ষ ধেয়ে এসেছিল ইমনের সোশাল মিডিয়ায়। এমনকী, রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার পাওয়ার পর, ইমনকে শুনতে হয়েছিল চটি চাটা কটাক্ষও। শুনতে হয়েছিল, তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়াবেন বলেই নাকি এসব পুরস্কার! তবে অবশেষে মঙ্গলবার সব জল্পনার অবসান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর স্পষ্ট হল, ইমন ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। আর সোশাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া দিয়ে ইমন নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন।
View this post on Instagram
কী লিখলেন ইমন?
সোশাল মিডিয়ায় ইমন লিখলেন, ”বিগত কয়েকমাস ধরে আপনারা আমাকে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড় করিয়েছিলেন। এই যেমন, উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, বালি, সিমেন্ট, আমতলা, জামতালা, ইত্য়াদি। কেউ কেউ আবার কেওড়াতলাতেও নিয়ে গিয়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। এবার আপনাদের করজোড়ে একটি বিনীত অনুরোধ রাখছি, প্লিজ আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে দিন।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইমনের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর। গায়িকা নিজে বহুবার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর কাছে মাতৃসমা। রাজনীতিতে না এলেও ‘দিদি’র প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা অটুট। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে বিরতি নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন ইমন। কিন্তু জানা গেছে, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ ও আশ্বাসে তিনি আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অভিভাবকের মতোই মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে নেতিবাচকতা এড়িয়ে নিজের কাজে মন দেওয়ার কথা বলেছেন। ইমন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অন্তত এই বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। দলের শীর্ষ মহলের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকলেও গায়িকা আপাতত নিজের সঙ্গীত ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন।
