আচমকা মাধবনকে ঘর ছাড়তে বলেন স্ত্রী! কী ঘটেছিল অভিনেতার সঙ্গে?
এই ঘটনাটা শুধু স্বামী-স্ত্রীর মজার খুনসুটি নয়, বরং লকডাউনের সময় মানসিক ভাবে একে অপরের পাশে থাকার গল্প। মাধবন নিজেই স্বীকার করেছেন, ওই সিদ্ধান্ত না নিলে হয়ত তিনি আরও বেশি চাপে পড়তেন। বাইরে বেরিয়ে তিনি নিজের শরীরচর্চা, লেখালেখি, নতুন ভাবনার ওপর কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে ফিরে পান মানসিক ভারসাম্য।

করোনার লকডাউনের সময়টা অনেকের কাছে ঘরবন্দি জীবন, মানসিক চাপ আর সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্য় দিয়েই কেটেছে। কিন্তু সেই কঠিন সময়ে আর মাধবনকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যেতে বলেন তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা নিজেই বলেছেন, কীভাবে কোভিডের সময় তাঁর স্ত্রী সরিতা তাঁকে কার্যত বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন ।
অবাক হচ্ছেন? কী এমন ঘটেছিল যাতে সরিতা এরকম সিদ্ধান্ত নেন? লকডাউনের সময় কাজ বন্ধ, শুটিং নেই, দিনের পর দিন ঘরে বসে থাকার পরিস্থিতিতে তিনি নিজেই মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়ছিলেন। আর সেই পরিবর্তনটা প্রথম বুঝেছিলেন তাঁর স্ত্রীই।
ঠিক কী ঘটেছিল?
মাধবনের কথায়, “একদিন ও আমাকে বলল, ‘এইভাবে সারাদিন বাড়িতে বসে থাকলে তোমার মাথা খারাপ হয়ে যাবে। বেরোও, কিছু করো।’” এরপরই নাকি সরাসরি নির্দেশ দেন ঘরে বসে বিরক্ত না হয়ে বাইরে গিয়ে কাজে মন দিতে হবে। মাধবনের ভাষায়, স্ত্রী তাঁকে ‘কিক আউট’ করেছিলেন তবে এটা তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। এই ঘটনাটা শুধু স্বামী-স্ত্রীর মজার খুনসুটি নয়, বরং লকডাউনের সময় মানসিক ভাবে একে অপরের পাশে থাকার গল্প। মাধবন নিজেই স্বীকার করেছেন, ওই সিদ্ধান্ত না নিলে হয়ত তিনি আরও বেশি চাপে পড়তেন। বাইরে বেরিয়ে তিনি নিজের শরীরচর্চা, লেখালেখি, নতুন ভাবনার ওপর কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে ফিরে পান মানসিক ভারসাম্য।
এই অভিজ্ঞতা থেকে অভিনেতা একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন, অভিনেতার মতে ভালোবাসা মানে শুধু চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি থাকা নয়, কখনও কখনও কাছের মানুষটাই বুঝে নেয়, কখনও দূরে থাকাটাই আসলে কাছে থাকার সবচেয়ে ভালো উপায়।
কোভিডের সময় অনেক দম্পতির সম্পর্ক ভেঙেছে, আবার অনেকের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। মাধবনের গল্পটা দ্বিতীয় দলে পড়ে।
এই মুহূর্তে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত অভিনেতা। একের পর এক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন জিতছে। কাজ আর সংসার দুটোই সমানতালে চালাচ্ছেন অভিনেতা।
