‘মেনোপজের সময় এসেছে, এখন গোবিন্দাকে প্রয়োজন’, পরকীয়া ভুলে কেন স্বামীকে ক্ষমা করতে চান সুনীতা?
গত দেড় বছরে গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন আর তাঁর ‘পরকীয়া’ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। স্বামীর চর্চিত প্রেমিকা ‘কোমল’-এর প্রতি নিজের ঘৃণার কথা আগেই জানিয়েছিলেন সুনীতা। কিন্তু এবার তাঁর গলায় শোনা গেল এক ভিন্ন সুর। অভিমান সরিয়ে রেখে স্বামীকে ক্ষমা করার ইঙ্গিত দিলেন তিনি। তবে এর নেপথ্যে রয়েছে এক শারীরিক ও মানসিক লড়াইয়ের গল্প।

টিনসেল টাউনের অন্যতম চর্চিত দম্পতি গোবিন্দ ও সুনীতা আহুজা। গত দেড় বছরে গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন আর তাঁর ‘পরকীয়া’ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। স্বামীর চর্চিত প্রেমিকা ‘কোমল’-এর প্রতি নিজের ঘৃণার কথা আগেই জানিয়েছিলেন সুনীতা। কিন্তু এবার তাঁর গলায় শোনা গেল এক ভিন্ন সুর। অভিমান সরিয়ে রেখে স্বামীকে ক্ষমা করার ইঙ্গিত দিলেন তিনি। তবে এর নেপথ্যে রয়েছে এক শারীরিক ও মানসিক লড়াইয়ের গল্প।
সুনীতা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে জীবনের এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। তাঁর কথায়, “আমার এখন মেনোপজ চলছে। শরীরের এই পরিবর্তনের সময় আমার স্বামীকে পাশে প্রয়োজন।” তিনি আরও যোগ করেন, জীবনের এই পর্যায়ে এসে পুরনো তিক্ততা বা মানসিক চাপ নেওয়ার মতো ক্ষমতা তাঁর আর নেই। তাই গোবিন্দ যদি নিজেকে শুধরে নেন, তবে ৪০ বছরের সম্পর্ককে আরও একটি সুযোগ দিতে তিনি প্রস্তুত।
এক সময় যে সুনীতা শ্বশুরবাড়ির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন, আজ তিনি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। গত দেড় বছরে ভ্লগিং দুনিয়ায় পা রেখে রীতিমতো ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। সুনীতার স্পষ্ট দাবি:
“একটা সময় ছিল যখন বড়দের সম্মান করতে গিয়ে মুখের ওপর কথা বলতে পারিনি। কিন্তু এখন আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। যে কেউ এসে আমার সাজানো সংসার ভেঙে দেবে, সেটা হতে দেব না।” গোবিন্দ তাঁর ছোটবেলার ভালোবাসা। সেই আবেগের টানেই তিনি বুকে পাথর চেপে সব সহ্য করেছেন বলে জানান সুনীতা। তিনি মনে করেন, দীর্ঘ চার দশকের এই মজবুত ভিত রাতারাতি ধসে যেতে পারে না। তবে ক্ষমার বিনিময়ে গোবিন্দের আচরণের পরিবর্তনই এখন তাঁর একমাত্র শর্ত।
বিগত কয়েক মাস ধরে গোবিন্দের প্রেমজীবন নিয়ে সুনীতার একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য বলিপাড়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে স্বামীর সঙ্গ পাওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। এখন দেখার, স্ত্রীর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ‘চিচি’ নিজেকে কতটা বদলে ফেলেন।
