AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

T20 World Cup: কেরল থেকে কানাডা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! জোজি ভার্গিসের স্বপ্নপূরণের গল্প

কানাডার বসবাস শুরু করলে ধীরে ধীরে নিজেকে একজন দক্ষ মাসাজ থেরাপিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন জোজি। সেই সুনামই তাঁকে কানাডার জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। টি-টোয়েন্টি লিগে কানাডা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলেরও সঙ্গী হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে কানাডা দলের সঙ্গে ভারতে সফর করছেন। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও কানাডা দলের অনুশীলন সূচি একদিনে ছিল। আর সেখানেই ভাগ্য মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় জোজি আর সঞ্জুকে।

T20 World Cup: কেরল থেকে কানাডা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! জোজি ভার্গিসের স্বপ্নপূরণের গল্প
Image Credit: Getty Images
| Edited By: | Updated on: Feb 18, 2026 | 3:59 PM
Share

কলকাতা: কেরল থেকে কানাডা। সেখান থেকেই ফিরে আসা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। কে এই ভারতীয় নাগরিক জানেন? তিনি জোজি ভার্গিস। তাঁর জীবনটা যেন সিনেমার মতো। পরিবার ও নিজের স্বপ্নপূরণের জন্য় তিনি ২০১৭ সালে কানাডায় পাড়ি দিয়েছিলেন। সেই পথ চলাই স্বপ্নপূরণ করেছে তাঁর। প্রিয় ক্রিকেটার সঞ্জু সামসনের সঙ্গে সাক্ষাতের ফলে। তিরুবনন্তপুরমের এক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শারীরশিক্ষা বিভাগের কর্মী ছিলেন জোজি। সেই কলেজের ছাত্র ছিলেন সঞ্জু। দূর থেকে তাঁকে খেলতে দেখা ছাড়া আর কোনও যোগাযোগ ছিল না তাঁর। পরে তিনি কাজের তাগিদে কানাডায় পাড়ি দিলে স্থায়ী বাসিন্দা হবার জন্য় তিনি ৬ মাসের স্পোর্টস ম্যাসাজ থেরাপি কোর্স করেন। যা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

কানাডার বসবাস শুরু করলে ধীরে ধীরে নিজেকে একজন দক্ষ মাসাজ থেরাপিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন জোজি। সেই সুনামই তাঁকে কানাডার জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। টি-টোয়েন্টি লিগে কানাডা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলেরও সঙ্গী হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে কানাডা দলের সঙ্গে ভারতে সফর করছেন। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও কানাডা দলের অনুশীলন সূচি একদিনে ছিল। আর সেখানেই ভাগ্য মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় জোজি আর সঞ্জুকে। প্র্যাক্টিস ম্য়াচের পর ড্রেসিংরুমে কথা হয় দু’জনের। কেরালার মানুষ শুনে, সঞ্জু ‘চেট্টা’ বলে সম্বোধন করেন জোজিকে। জিজ্ঞেস করেন, ‘সুগমানো?’ আর এই শব্দেই আবেগে ভেসে যান জোজি।

ব্যক্তিগত জীবনেও জোজির লড়াই কম ছিল না। স্ত্রী ইতালিতে নার্সের কাজ করতেন। ভাষাগত সমস্যায় সেখানে থাকাটা কঠিন হয়ে উঠলেও সন্তানদের কথা ভেবে কানাডাকেই বেছে নেন তাঁরা। তবে আজ জোজি গর্বের সঙ্গে বলেন, এই যাত্রা কঠিন হলেও স্বপ্নপূরণ করেছে তাঁর। জোজির কথায়, সঞ্জু খুবই ভালো মানুষ। কানাডার ক্রিকেট থেকে প্রবাসীদের ভারতীয় ভালোবাসা, সব বিষয়েই কথা হয় তাঁদের। কানাডায়ও সঞ্জুর জনপ্রিয়তাও কম নয়। কেরলের এক সাধারণ মানুষের কানাডা পাড়ি। সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আসা ও শেষে প্রিয় ক্রিকেটারের সঙ্গে সাক্ষাৎ। সব মিলিয়ে জোজি ভার্গিসের এই গল্প সত্যিই অনুপ্রেরণার।