AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সানি-ডিম্পল প্রেম করতেন চুটিয়ে, কিন্তু একসঙ্গে ছবি তোলা ছিল বারণ! কেন জানেন?

রুপোলি পর্দায় তাঁর মারকুটে ইমেজ নজর কাড়লেও, পর্দার বাইরে ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র। পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি মুখ খোলেন না বললেই চলে। তবে তা সত্ত্বেও, বছরের পর বছর ধরে অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গে তাঁর চর্চিত সম্পর্ক নিয়ে বলিপাড়ায় গুঞ্জনের শেষ নেই।

সানি-ডিম্পল প্রেম করতেন চুটিয়ে, কিন্তু একসঙ্গে ছবি তোলা ছিল বারণ! কেন জানেন?
| Updated on: Jun 18, 2026 | 2:23 PM
Share

প্রীতি জিন্টার সঙ্গে তাঁর আগামী ছবি ‘বটওয়ারা ১৯৪৭’-এর মুক্তির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অভিনেতা সানি দেওল। রুপোলি পর্দায় তাঁর মারকুটে ইমেজ নজর কাড়লেও, পর্দার বাইরে ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র। পরিবার কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি মুখ খোলেন না বললেই চলে। তবে তা সত্ত্বেও, বছরের পর বছর ধরে অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গে তাঁর চর্চিত সম্পর্ক নিয়ে বলিপাড়ায় গুঞ্জনের শেষ নেই। যদিও এই দুই তারকা কখনোই প্রকাশ্য এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি, তাও অনুরাগীদের মনে এই নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। সম্প্রতি, বলিউডের সেই পুরনো সোনালী যুগের এক অজানা অধ্যায় সামনে আনলেন প্রবীণ চিত্রসাংবাদিক (পাপারাজ্জি) রমাকান্ত মুন্ডে। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া ও পাপারাজ্জি সংস্কৃতির বহু আগে কীভাবে তারকাদের ছবি তোলা হতো, সেই গল্পই শুনিয়েছেন তিনি।

সে সময় বিনোদন জগতের আলোকচিত্রীদের একটি ‘অলিখিত নিয়ম’ মেনে চলতে হত, যা স্মরণ করে রমাকান্ত মুন্ডে এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, সানি দেওল এবং ডিম্পল কাপাডিয়াকে একসঙ্গে ফ্রেমবন্দি না করার জন্য তাঁদের ওপর কড়া নির্দেশ ছিল। তিনি বলেন, “কখনও সখনও কোনো ছবির সেট, ইভেন্ট কিংবা অনুষ্ঠানে তাঁরা একসঙ্গেই থাকতেন। কিন্তু তাঁরা দুজনে একসঙ্গে ছবি তুলতে একেবারেই পছন্দ করতেন না। সংবাদমাধ্যমের প্রত্যেকেই এই বিষয়টা জানতেন।”

মুন্ডে আরও জানান, সানি এবং ডিম্পল যখনই কোনও একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতেন, তখনই আলোকচিত্রীদের কাছে সেই অলিখিত নিয়মের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হতো। তাঁর কথায়, “আলোকচিত্রীদের মধ্যে একটা অলক্ষ্য বার্তা ছড়িয়ে যেত যে, তাঁরা একসঙ্গে থাকলে আমাদের ছবি তোলা চলবে না। সাধারণত তাঁদের টিমের কেউ একজন এসে আমাদের এই অনুরোধ করতেন, অথবা কোনও ইশারায় বুঝিয়ে দেওয়া হতো যে এখানে ছবি তোলা নিষিদ্ধ।”

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের কাজের ধরন কতটা বদলে গিয়েছে, সেই প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। মুন্ডের মতে, সেই যুগে তারকাদের খবরের চাহিদা এখনকার মতো ছিল না। তৎকালীন পত্রিকা বা ম্যাগাজিনগুলো অভিনেতাদের ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে তাঁদের ফ্যাশন, গয়নাগাটি, মেকআপ এবং গ্ল্যামারের জমকালো ছবির ওপর বেশি জোর দিত। আজকের মতো সাধারণ দর্শকরাও তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা তাঁরা কার সঙ্গে ওঠাবসা করছেন, তা নিয়ে এতটা আগ্রহী ছিলেন না। ফলে, কে কার সঙ্গে দেখা করছেন—এই ধরনের ছবির খবর হিসেবে তখন কোনও বিশেষ মূল্য ছিল না বললেই চলে।

Follow Us