AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sushant Singh Rajput: ‘পা ভাঙা ছিল, চোখে আঘাত…!’ সুশান্তের মৃত্যুর ৬ বছর পর দিদি শ্বেতার বিস্ফোরক দাবি

Sushant Singh Rajput Death Mystery: সেই সময় থেকেই অভিনেতার মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয় হাজারো বিতর্ক ও জটিল প্রশ্ন। তদন্তের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সিবিআই-এর ক্লোজার রিপোর্টে আত্মহত্যায় প্ররোচনার কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হলেও, সুশান্তের পরিবার কিন্তু শুরু থেকেই একে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বলে মেনে নিতে অস্বীকার করে এসেছে।

Sushant Singh Rajput: 'পা ভাঙা ছিল, চোখে আঘাত...!' সুশান্তের মৃত্যুর ৬ বছর পর দিদি শ্বেতার বিস্ফোরক দাবি
| Updated on: Sep 28, 2026 | 5:56 PM
Share

২০২০ সালের ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের দেহ। তরুণ এই তারকার আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। সেই সময় থেকেই অভিনেতার মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয় হাজারো বিতর্ক ও জটিল প্রশ্ন। তদন্তের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সিবিআই-এর ক্লোজার রিপোর্টে আত্মহত্যায় প্ররোচনার কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হলেও, সুশান্তের পরিবার কিন্তু শুরু থেকেই একে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ বলে মেনে নিতে অস্বীকার করে এসেছে।

ঘটনার প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর পার করে ফের সুশান্তের মৃত্যু রহস্য নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় এক চাঞ্চল্যকর ভিডিওবার্তা পোস্ট করলেন অভিনেতার দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি। তাঁর বিস্ফোরক দাবি—সুশান্তের ময়নাতদন্তের সঙ্গে যুক্ত এক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে সম্প্রতি তাঁর কথা হয়েছে, আর সেই কথোপকথনেই বেরিয়ে এসেছে শিউরে ওঠার মতো সত্য।

শ্বেতার দাবি, ওই ব্যক্তি তাঁকে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় বন্দুকের ব্যবহার হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, মৃত্যুর আগে তাঁর ওপর চরম নির্যাতন ও বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল।

নিজের ভিডিওবার্তায় শ্বেতা আবেগঘন গলায় বলেন, “সম্প্রতি আমি জানতে পেরেছি, যে ব্যক্তি আমার ভাইয়ের ময়নাতদন্ত করেছিলেন তিনি বলেছেন যে ঘটনার সময় বন্দুক ব্যবহার করা হয়েছিল। ওর একটা পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিল শরীরে এবং চোখেও ছিল গুরুতর আঘাতের চিহ্ন।”

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সুশান্তের প্রয়াণের সময় শ্বেতা বিদেশে ছিলেন। কোভিড মহামারী ও লকডাউনের কড়াকড়ির কারণে শেষবারের মতো ভাইয়ের মুখটাও দেখতে পারেননি তিনি। তবে সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত বিচার চেয়ে তিনি অনড় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে শ্বেতা জানান, অগণিত অনুরাগী সে সময় তাঁর কাছে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। প্রত্যেকের মনেই একই সন্দেহ ছিল যে সুশান্তের সঙ্গে যা ঘটেছে তা কোনও স্বাভাবিক ঘটনা নয়, বরং এক চরম অন্যায়। শ্বেতার কথায়, “প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণা কতটা গভীর, তা আমি বুঝি। এই পৃথিবীতে ভালো মানুষদের অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু সেই কষ্টই মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়। ভালোবাসার মাধ্যমেই ক্ষত শুকানো সম্ভব।”

তবে শ্বেতার এই সাম্প্রতিকতম দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবেই তাঁর ব্যক্তিগত বক্তব্য হিসেবে সামনে এসেছে। শ্বেতা যে ময়নাতদন্তকারী ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, তাঁর পরিচয় বা এই কথোপকথনের সত্যাসত্য স্বাধীনভাবে যাচাই করার কোনও সরকারি নথি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে সুশান্তের রহস্যমৃত্যু ঘিরে নতুন করে ফের ধোঁয়াশা ও চর্চা শুরু হল বিনোদন পাড়ায়।

Follow Us