‘স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, ১১ মাস কোনও কাজ ছিল না আমার’, ঋতুপর্ণার প্রথম নায়কের এমন অবস্থা হল কেন?
Rituparna Sengupta: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে 'শ্বেত পাথরের থালা' ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ভাস্কর। সেটিই ছিল ঋতুপর্ণা অভিনীত প্রথম ছবি। প্রভাত রায়ের পরিচালনায় তৈরি সেই ছবিতে দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। নায়ক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন।

তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের প্রথম নায়ক। ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬০ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে তাঁর। সম্প্রতি নাতি হয়েছে ভাস্করের। হাসিমুখে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “ঋতুপর্ণা কিন্তু সব জায়গায় বলেন আমি তাঁর প্রথম নায়ক। সেই স্বীকৃতি তিনি আমাকে দেন।” এই ভাস্কর জীবনের অনেক ওঠাপড়া দেখেছেন। উত্তমকুমারের মতো ভাবভঙ্গির কারণে অনেকেই মনে করতেন তিনি মহানায়ককে নকল করেন। চেহারায় উত্তমকুমারের সঙ্গে মিলও আছে ভাস্করের। বিষয়টা নিয়ে তিনি যদিও বা খুব বেশি আলোচনা করেন না। তবে এটুকু জানেন, তাঁকে এবং উত্তমকুমারকে নিয়ে খুবই চর্চা হয় ইন্ডাস্ট্রিতে।
ভাস্করকে শেষ বার দেখা গিয়েছিল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখনীতে তৈরি ধারাবাহিক ‘এক্কা দোক্কা’-এ। ‘বাদল শেষের পাখি’-নামের আরও একটি ধারাবাহিকে ফের দেখা যাবে ভাস্করকে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে ‘শ্বেত পাথরের থালা’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ভাস্কর। সেটিই ছিল ঋতুপর্ণা অভিনীত প্রথম ছবি। প্রভাত রায়ের পরিচালনায় তৈরি সেই ছবিতে দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। নায়ক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন। তবে ভাস্কর মনে করেন, তাঁর চেহারায় নায়কসুলভ ব্যাপার কম। এবং ঠিক সেই কারণেই তিনি কোনওদিনও ছবির মুখ্য চরিত্র হতে পারবেন না। হতে পারবেন না নায়ক, যাঁর নামে টিকিট বিক্রি হবে।
কেরিয়ারের শুরুতে চাকরি পেয়েছিলেন ভাস্কর। সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে অভিনয় করতে আসেন। বাড়ির মা-ঠাকুমারা একেবারেই বিপক্ষে চলে গিয়েছিলেন ভাস্করের। বাবা ছিলেন প্রযোজক। একমাত্র তিনিই ছেলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। ভাস্কর নিজের মুখে বলেছেন, “আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন ১১ মাস কাজ ছিল না। এই কঠিন পরিস্থিতিটা আমি দেখেছি। এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা খুব কঠিন কাজ।”
