
২ ফেব্রুয়ারি বনগাঁয় পৌঁছবেন প্রাক্তন সাংসদ-নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। আদালতে পৌঁছে গোপন জবানবন্দি দেবেন তিনি। মিমির গোপন জবানবন্দি দেওয়ার পর বনগাঁ কাণ্ড কোন দিকে মোড় নেয়, সেটা দেখার অপেক্ষা। সম্প্রতি বনগাঁর নয়াগ্রামে একটি অনুষ্ঠান ছিল মিমি চক্রবর্তীর। উদ্যোক্তা নয়া গোপাল গুঞ্জ যুবক সঙ্ঘ ক্লাব। রাত পৌনে বারোটায় স্টেজে উঠেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ, অনুষ্ঠানের মাঝেই তনয় শাস্ত্রী নামে এক ব্যক্তি স্টেজে উঠে পড়েন। মিমির গানের মাঝে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মিমিকে তিনি স্টেজ থেকে নেমে যেতে বলেন। তাতে অপমানিত বোধ করেন মিমি। অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রী ক্লাবেরই কর্মকর্তা। বনগাঁ থানায় এফআইআর দায়ের করেন মিমি।
মিমি বলেন, “আমার কেরিয়ারে এটা প্রথমবার হল। এতটা ঔদ্ধত্য আমি আমার কেরিয়ারে কোনও কর্মকর্তার মধ্যে দেখিনি। একজন শিল্পী যখন আজকাল স্টেজে ওঠেন, তখন মানুষ ভাবতে শুরু করেছেন, সেই শিল্পী তাঁর প্রপার্টি হয়ে গিয়েছেন। চুপ করে থাকার প্রশ্নই নেই।”
তাঁর বক্তব্য, তিনি যদি এই পদক্ষেপ না করতেন, তাহলে তাঁদের মতো বাকি কর্মকর্তারাও একই ধরনের আচরণ করতে পারেন। মিমির বার্তা, “আমি যদি এটা ফেস করতে পারি, অন্য কোনও মেয়ে যদি শো করতে যান, তাহলে একটু সচেতন হন।” মিমির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করেন কর্মকর্তা। মিমি অনুষ্ঠানে দেরি করে পৌঁছেছেন, এমন অভিযোগ ওঠে। তবে মিমির এফআইআরের ভিত্তিতে জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করতে গিয়েও পুলিশ স্থানীয় মানুষদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে। মিমির গোপন জবানবন্দি দেওয়ার পর এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেবে, আদালতের রায় কোন পক্ষে যাবে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।