‘বর্ডার ২’এর শুটিংয়ে গুরুতর চোট পান বরুণ ধাওয়ান! তারপর…

ছবির একটি যুদ্ধদৃশ্যের শুটিং চলাকালীন হঠাৎ দুর্ঘটনাটি ঘটে। দৃশ্যটি ছিল বেশ কঠিন। দৌড়ানো, পড়ে যাওয়া, আবার উঠে লড়াই। ঠিক সেই সময়ই ভারসাম্য হারিয়ে তিনি জোরে আছড়ে পড়েন একটি শক্ত পাথরের ওপর। আঘাত লাগে শরীরের নিচের অংশে, বিশেষ করে টেইলবোনে বেশ চোট পান তিনি। বরুণের ভাষায়, “ব্যথাটা এতটাই তীব্র ছিল যে কিছুক্ষণের জন্য শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল।”

বর্ডার ২এর শুটিংয়ে গুরুতর চোট পান বরুণ ধাওয়ান! তারপর...

Jan 29, 2026 | 7:15 PM

প্রতিটি ছবি তৈরির পিছনেই থাকে অনেক গল্প। কোনওটা আনন্দের আবার কোনওটার কথা মনেও করতে চান না কলাকুশলীরা। অনেক সময় চরম শারীরিক কষ্ট আর মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয় কলাকুশলীদের। পর্দায় ছবি দেখে দর্শক ধারণাও করতে পারেন না পর্দার পিছনের গল্প সম্পর্কে। সম্প্রতি তেমনই এক অভিজ্ঞতার কথা সামনে আনলেন অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। নতুন ছবি ‘বর্ডার ২’এর শুটিং চলাকালীন এমন এক মুহূর্তের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি, যা আজও তাঁকে কাঁপিয়ে দেয়। অভিনেতার কথায়, সেটাই ছিল তাঁর জীবনের “সবচেয়ে খারাপ ব্যথা”।

শুটিংয়ের একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়ে বরুণ জানান, ছবির একটি যুদ্ধদৃশ্যের শুটিং চলাকালীন হঠাৎ দুর্ঘটনাটি ঘটে। দৃশ্যটি ছিল বেশ কঠিন। দৌড়ানো, পড়ে যাওয়া, আবার উঠে লড়াই। ঠিক সেই সময়ই ভারসাম্য হারিয়ে তিনি জোরে আছড়ে পড়েন একটি শক্ত পাথরের ওপর। আঘাত লাগে শরীরের নিচের অংশে, বিশেষ করে টেইলবোনে বেশ চোট পান তিনি। বরুণের ভাষায়, “ব্যথাটা এতটাই তীব্র ছিল যে কিছুক্ষণের জন্য শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল।”

অভিনেতা বলেন, এত বছরের অভিনয় জীবনে নানা রকম চোট-আঘাত পেয়েছেন, কিন্তু এই ব্যথার সঙ্গে কোনও কিছুর তুলনা চলে না। চিকিৎসকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায়, তাঁর টেইলবোনে হালকা ফাটল ধরেছে। হাঁটাচলা, বসা সব কিছুই তখন অসহ্য হয়ে উঠেছিল। তবু শুটিং বন্ধ করেননি বরুণ। ব্যথা নিয়েই তিনি কাজ চালিয়ে গিয়েছেন, কারণ তাঁর মতে, এই ছবির সঙ্গে বহু মানুষের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।

‘বর্ডার ২’ শুধুই অ্যাকশন ছবি নয়। এটি দেশপ্রেম, সাহস আর ত্যাগের গল্প বলে এই ছবি। একজন সেনা অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছেন বরুণ। সেই চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে তিনি নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিয়েছিলেন। দিনের পর দিন কঠিন শারীরিক প্রশিক্ষণ, ভারী পোশাক পরে শুটিং, রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে যুদ্ধদৃশ্য সব মিলিয়ে ছবিটি তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং প্রোজেক্ট ছিল এটি।

অভিনেতা মনে করেন, এই ধরনের অভিজ্ঞতা একজন অভিনেতাকে আরও পরিণত করে তোলে। ব্যথা, ভয়, অনিশ্চয়তা সবকিছুকে জয় করেই তাঁকে সামনে এগোতে হয়েছে। আর সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছে এমন সব দৃশ্য, যা বেশ পছন্দ করেছেন দর্শকরা।