‘রামায়ণ’ থেকে বাদ পড়েছেন বিক্রান্ত মাসি! পুরোটাই গুজব বলার পর কেন পোস্ট ডিলিট করলেন অভিনেতা?
বিক্রান্ত মাসির বক্তব্য অনুযায়ী, যাচাই ছাড়াই এমন খবর ছড়ানো একেবারেই অনৈতিক। তিনি জানান, এই ধরনের গুজব শুধু বিভ্রান্তি তৈরি করে না, বরং শিল্পীদের ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করে। তবে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি তিনি ছবির টিমের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দর্শক হিসেবে তিনি সিনেমাটি দেখতে আগ্রহী।

বলিউডে বিতর্ক নতুন নয়, কিন্তু কোনও গুজব যদি ‘রামায়ণ’-এর মতো মেগা প্রজেক্টকে ঘিরে তৈরি হয়, তাহলে তা বেশ প্রভাব ফেলে। কিছুদিন ধরে এই বিতর্কের কেন্দ্রে ছিলেন অভিনেতা বিক্রান্ত মাসি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক রিপোর্ট নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেতা। যা নিয়ে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। ঠিক কী হয়েছিল?
কিছু মিডিয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়, নীতেশ তিওয়ারির বহুচর্চিত ছবি ‘রামায়ণ’-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নাকি বিক্রান্ত মাসিকে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে তাঁকে বাদ দিয়ে রাঘব জুয়াল-কে কাস্ট করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় জল্পনা বিক্রান্ত কি সত্যিই প্রজেক্ট থেকে বাদ পড়েছেন?
এই গুজবের জবাবে বিক্রান্ত মাসি ইনস্টাগ্রামে একটি কড়া পোস্ট করেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি কখনওই ‘রামায়ণ’ ছবির অংশ ছিলেন না। একই সঙ্গে মিডিয়ার একাংশকে নিয়ে “ভিত্তিহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্ট” করার জন্য কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।
বিক্রান্ত মাসির বক্তব্য অনুযায়ী, যাচাই ছাড়াই এমন খবর ছড়ানো একেবারেই অনৈতিক। তিনি জানান, এই ধরনের গুজব শুধু বিভ্রান্তি তৈরি করে না, বরং শিল্পীদের ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করে। তবে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি তিনি ছবির টিমের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দর্শক হিসেবে তিনি সিনেমাটি দেখতে আগ্রহী।
কিন্তু এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিক্রান্ত মাসি সেটি ডিলিট করে দেন। হঠাৎ করে পোস্ট মুছে ফেলার পেছনে কী কারণ? চাপের মুখে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল? নাকি বিতর্ক আরও বাড়তে না দেওয়ার কৌশল? এই প্রশ্ন ঘুরছে অনেকের মনেই।
প্রসঙ্গত, ‘রামায়ণ’ ইতিমধ্যেই বলিউডের অন্যতম সবচেয়ে আলোচিত ও বড় বাজেটের প্রজেক্টের মধ্যে একটি। ছবিতে রামের চরিত্রে রয়েছেন রণবীর কাপুর, সীতার চরিত্রে সাই পল্লবী, রাবণ চরিত্রে যশ, হনুমান চরিত্রে সানি দেওল, এবং লক্ষ্মণ চরিত্রে রবি দুবে। ছবিটি দুই পর্বে মুক্তি পাওয়ার কথা। প্রথম অংশ ২০২৬ সালে এবং দ্বিতীয় অংশ ২০২৭ সালে।
