AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bollywood Actress: সুপারহিট নায়িকা থেকে রাতারাতি যৌনকর্মী! ঠেলায় করে শ্মশানে গেল দেহ, সিনেপাড়ায় জোর চর্চা

Actress Tragic Life Story তার মধ্যে অন্যতম মর্মান্তিক উদাহরণ এককালের প্রথম সারির নায়িকা ভিমি। সুনীল দত্ত থেকে রাজকুমার—সেকালের তাবড় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে রাতারাতি খ্যাতির শিখরে পৌঁছনো এই অভিনেত্রীর শেষ জীবন কাটে চরম অবহেলা আর অন্ধকার এক বাস্তবতার মধ্যে।

Bollywood Actress: সুপারহিট নায়িকা থেকে রাতারাতি যৌনকর্মী! ঠেলায় করে শ্মশানে গেল দেহ, সিনেপাড়ায় জোর চর্চা
Image Credit: D-Keine/E+/Getty Images
| Updated on: Oct 12, 2026 | 4:39 PM
Share

গ্ল্যামার দুনিয়ার জৌলুস যতটা চোখধাঁধানো, তার নেপথ্যের অন্ধকার ঠিক ততোটাই গভীর ও নির্মম। সিলভার স্ক্রিনের আলোর রোশনাই ফুরোলে বাস্তবের মাটিতে নেমে আসার যে বেদনাদায়ক চিত্র বলিউড দেখেছে, তার মধ্যে অন্যতম মর্মান্তিক উদাহরণ এককালের প্রথম সারির নায়িকা ভিমি। সুনীল দত্ত থেকে রাজকুমার—সেকালের তাবড় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে রাতারাতি খ্যাতির শিখরে পৌঁছনো এই অভিনেত্রীর শেষ জীবন কাটে চরম অবহেলা আর অন্ধকার এক বাস্তবতার মধ্যে।

ছোটবেলা থেকেই রূপের জাদুতে এবং নাচে-গানে আলাদা পরিচিতি ছিল ভিমির। পড়াশোনা শেষ হতেই ব্যবসায়ী শিব প্যাটেলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দেন বাবা-মা। বিয়ের পর দুই সন্তানের জন্ম দিলেও ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় এক ফিল্মি পার্টিতে। সেসময়ের প্রখ্যাত পরিচালক বি আর চোপড়ার নজর কাড়েন তিনি।

১৯৬৭ সালে সুনীল দত্তের বিপরীতে ‘হামরাজ’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান ভিমি। প্রথম ছবিই বক্স অফিসে সুপারহিট। রাজকুমারের সঙ্গে তাঁর জুটি এবং ছবির গান আজও সিনেপ্রেমীদের স্মৃতিতে অম্লান। সেই যুগে প্রতি ছবিতে তিন লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক নেওয়া ভিমি হয়ে ওঠেন বলিউডের অন্যতম ব্যয়বহুল ও জনপ্রিয় নায়িকা।

Vimi

এই সেই বলিউডের সুপারহিট নায়িকা ভিমি।

তবে দ্রুত খ্যাতি ধরে রাখতে গিয়ে ভুল ছবির নির্বাচন এবং একের পর এক ছবি ফ্লপ হওয়া ভিমির কেরিয়ারে বড় ধাক্কা দেয়। একই সঙ্গে লাগামছাড়া জীবনযাপন ও অতিরিক্ত অর্থব্যয় তাঁকে আর্থিক সংকটের মুখে ঠেলে দেয়। ব্যক্তিগত জীবনেও শুরু হয় অশান্তি। ব্যবসায়ী স্বামীকে ছেড়ে তিনি সম্পর্কে জড়ান প্রযোজক জলির সঙ্গে। কিন্তু কেরিয়ারের অন্তিম লগ্নে সঙ্গী এবং আর্থিক অনটন—দুই মিলিয়ে তাঁর জীবন গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যায়।

জীবনের শেষ সময়ে চরম অবসাদ ও নিঃসঙ্গতা গ্রাস করেছিল তাঁকে। ১৯৭৭ সালের আগস্ট মাসের এক বৃষ্টিভেজা রাতে মুম্বইয়ের এক ছোট ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় ভিমির নিথর দেহ। মৃত্যুর পর সেই মরদেহ সৎকারের জন্য পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। লোকলজ্জা ও নানা কানাঘুষোর ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে। শেষপর্যন্ত এক অবর্ণনীয় পরিস্থিতিতে সাদা কাপড়ে মোড়া সেই দেহ একটি ঠেলাগাড়িতে চাপিয়ে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বলিউডের সোনালী পর্দার এক নায়িকার এমন মর্মান্তিক পরিণতি আজও স্মরণ করিয়ে দেয় গ্ল্যামার দুনিয়ার নিষ্ঠুরতম সত্যটিকে।

Follow Us