
এবার বিধায়ক-অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, ছবির জন্য টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়ার। TV9 বাংলাকে শাহিদ জানালেন, ”’পাকা দেখা’ ছবিতে বিনিয়োগের জন্য আমি সোহমবাবু এবং অর্ঘ্য চট্টোপাধ্যায়কে টাকা দিয়েছিলাম। এরপর এসএসসি কাণ্ডে আমি অ্যারেস্ট হয়ে যাই। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আমি বহুবার টাকা ফেরত চেয়েছি। এখনও ৬৮ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। সেই টাকা চাইলে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই কারণে আমি চারু মার্কেট থানায় এফআইআর করেছি।” শাহিদের দাবি, ২০২১ সালে সোহমকে টাকা দিয়েছিলেন তিনি। তারপর পুরো টাকা ফেরত পাননি।
শামিমের দাবি, তিনিও এক সময়ে তৃণমূল দলের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। তাঁর আইনজীবী, বিষয়টা আদালতের সামনে পেশ করবেন। বাংলা ছবির সঙ্গে তিনি যুক্ত হলেও, সেখানে অন্য নাম ব্যবহার করেন। বিষয়টা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য সোহমকে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বললেন, ”হুমকি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সম্পূর্ণ মিথ্যা সেটা। ‘পাকা দেখা’ ছবি তৈরি হওয়ার সময়ে আমি টাকা নিয়েছিলাম। তবে মাঝপথে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন শাহিদ। তখন অন্য একজনের কাছে টাকা নিতে হয়। আমরা খুবই সমস্যায় পড়ে গিয়েছিলাম, হঠাত্ টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন, সেই কারণে। তাই ছবির থেকে যে টাকা এসেছে, প্রথমে তাঁকেই দিয়েছি, যিনি সমস্যায় পড়ে যাওয়ার পর টাকা দিয়েছিলেন। শাহিদ মাঝে জেলে ছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে টাকা দেওয়া হয়নি। জেল থেকে বের হওয়ার পর টাকা দিতে শুরু করেছি। তবে পুরোটা এখনও দেওয়া হয়নি। কিছুটা সময় চেয়েছি। যেহেতু বাংলা ছবির ব্যবসার অবস্থা খারাপ, ছবির স্বত্ব বিক্রি হতেও সময় লাগছে, তাই সময় চেয়েছি। এত টাকা তো কোথাও থেকে না পেলে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় চট করে, তাই সময় চেয়েছি।”
সোহম যোগ করেন, ”বিধানসভা নির্বাচনের আগে জনসমক্ষে এমন অভিযোগের পিছনে কোনও লক্ষ্য থাকতে পারে। এটা কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হতে পারে। এভাবে আমার সম্মানহানি করা হলে, আমিও আইনি পথেই যা করণীয়, তাই করব।”