মৌসুমীর জন্যে মেয়ের মৃত্যু? বিস্ফোরক দাবি তোলেন জামাই…
১৮ বছর বয়সেই মা হন মৌসুমী। কোল আলো করে আসে তাঁর প্রথম সন্তান পায়েল মুখোপাধ্যায়। খুব কম বয়সে সেই মেয়ে যখন মারা যান তখন পক্ষান্ততে জামাই আঙুল তুলেছিলেন শাশুড়ি মায়ের দিকেই। কী এমন ঘটেছিল?

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বিয়ে হয়েছিল হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ছেলে জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ে সঙ্গে, সংসার পেতে ছিলেন মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়। একেবারে পাশাপাশি বাড়ি ছিল তাঁদের। একবার মৌসুমীর পিসি হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর খুব ইচ্ছে ছিল ভাইঝির বিয়েটা দেখে যাবেন। আর সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেই ওই অল্প বয়সে খানিকটা মৌসুমীর অমতেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। কেরিয়ার তখনও শুরু হয়নি সেইভাবে। ১৮ বছর বয়সেই মা হন মৌসুমী। কোল আলো করে আসে তাঁর প্রথম সন্তান পায়েল মুখোপাধ্যায়। খুব কম বয়সে সেই মেয়ে যখন মারা যান তখন পক্ষান্ততে জামাই আঙুল তুলেছিলেন শাশুড়ি মায়ের দিকেই। কী এমন ঘটেছিল?
২০১৯ সালে বড় মেয়েকে হারান তিনি। সন্তানকে হারানোর থেকে বড় যন্ত্রণা আর কী হতে পারে মা-বাবার কাছে? ছোট থেকেই টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন তাঁর বড় মেয়ে। ব্যবসায়ী ডিকি সিনহাকে বিয়ে করেছিলেন মৌসুমীর মেয়ে। ২০১৮ সালে কোমায় চলে যান মৌসুমীর মেয়ে। ২০১৯ সালে মারা যান তিনি। মেয়ে জীবিত থাকা অবস্থাতেই জামাইয়ের সঙ্গে আইনি ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন মৌসুমী। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, জামাই ও তাঁর পরিবার মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছেন না। এও অভিযোগ করা হয়, মেয়ের মেডিকেল বিলও দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের তরফে। এমনকি হচ্ছে না ঠিকমতো চিকিৎসা। যদিও মেয়ে মারা যাওয়ার পর মৌসুমীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন জামাই ডিকি।
জানিয়েছিলেন, মেয়ের শেষ কাজে আসেননি মৌসুমী। কিন্তু কেন? ডিকি জানিয়েছিলেন, যে মামলা তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল তা তিনি জিতে যান। তিনি এও বলেন, মৌসুমি দু’মাসে মাত্র পাঁচ বার পাঁচ মিনিটের জন্য মেয়েকে দেখতে এসেছেন। চাঞ্চল্যকর অভিযোগও করেন ডিকি। মানসিক চাপ দেওয়ার অভিযোগও তোলেন অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই বিতর্ক ফিকে হয়ে গিয়েছে। মেয়েকে হারিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মৌসুমী। নিজের মতো করে নিজের জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন।





