AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘বম্বেতে ভুলেও পা রেখো না!’ কেন উত্তম কুমারকে সতর্ক করেছিলেন শাম্মি কাপুর?

শাম্মি কাপুর মহানায়কের এতটাই ভক্ত ছিলেন যে, বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে তাঁকে একটি দামী হীরের আংটি উপহার দিয়েছিলেন। সেদিন পর্দায় শাম্মি কাপুরের ছন্দ আর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন উত্তমও। কিন্তু এই গভীর বন্ধুত্ব সত্ত্বেও শাম্মি কাপুর চাননি উত্তম কুমার বলিউডে আসুক।

'বম্বেতে ভুলেও পা রেখো না!' কেন উত্তম কুমারকে সতর্ক করেছিলেন শাম্মি কাপুর?
| Updated on: Mar 05, 2026 | 4:41 PM
Share

১৯৬১ সাল। কলকাতার রক্সি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে শাম্মি কাপুরের ব্লকবাস্টার ছবি ‘জংলি’। সেই প্রিমিয়ারে আমন্ত্রিত ছিলেন স্বয়ং উত্তম কুমার। শাম্মি কাপুর মহানায়কের এতটাই ভক্ত ছিলেন যে, বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে তাঁকে একটি দামী হিরের আংটি উপহার দিয়েছিলেন। সেদিন পর্দায় শাম্মি কাপুরের ছন্দ আর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন উত্তমও। কিন্তু এই গভীর বন্ধুত্ব সত্ত্বেও শাম্মি কাপুর চাননি উত্তম কুমার বলিউডে আসুক।

ষাটের দশকে শাম্মি কাপুর যখনই কলকাতায় আসতেন, উত্তম কুমারের নতুন ছবি দেখা বা তাঁর সঙ্গে দেখা করা ছিল বাধ্যতামূলক। শাম্মি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন যে উত্তম কুমারের যে বিরল প্রতিভা, তার মূল্যায়ন করার ক্ষমতা তৎকালীন হিন্দি সিনেমার ছিল না।

১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় উত্তম কুমারের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থার ছবি ‘ছোটি সি মুলাকাত’। ১৯৫৪ সালের কালজয়ী বাংলা ছবি ‘অগ্নিপরীক্ষা’র রিমেক ছিল এটি। কিন্তু বক্স অফিসে ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ে। সেই ব্যর্থতার পরেই শাম্মি কাপুর মন্তব্য করেছিলেন, “উত্তম কুমারের মতো অসাধারণ প্রতিভার প্রতি হিন্দি সিনেমা কখনোই সুবিচার করতে পারবে না। ওঁর জায়গা বাংলা সিনেমাতেই।”

আশাপূর্ণা দেবীর গল্প অবলম্বনে তৈরি ‘অগ্নিপরীক্ষা’ ছবিতে উত্তম-সুচিত্রা জুটি বাঙালির মনে যে জাদু তৈরি করেছিল, হিন্দি সংস্করণে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। বাংলার বাইরে এই ছবি দর্শকদের মন জয় করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। এই পরাজয় মহানায়কের কাছে ছিল এক বড় ধাক্কা। শাম্মি কাপুরের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণ করে বোঝা গিয়েছিল যে, বলিউডের ধরাবাঁধা ফর্মুলা মহানায়কের অভিনয়শৈলীকে ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারেনি।