রাত ১২টা বাজলেই আরশাদকে ফোন জয়া বচ্চনের! কী ঘটান অমিতাভ ঘরনি?
আরশাদের কেরিয়ারের শুরুর দিনগুলোর সঙ্গে বচ্চন দম্পতি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। জয়া বচ্চনের হাত ধরেই ১৯৯৬ সালে ‘তেরে মেরে স্বপ্নে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। সেই ঋণ অভিনেতা আজও ভোলেননি। অন্যদিকে, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘জমানাত: অ্যান্ড জাস্টিস ফর অল’ ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি। সিনিয়র হয়েও জুনিয়রদের প্রতি বচ্চন দম্পতির এই ভালোবাসা এবং সময়ানুবর্তিতা সত্যিই শেখার মতো।

জন্মদিন মানেই শুভেচ্ছার জোয়ার। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা পেরিয়ে ১ মিনিট হতেই যদি ফোনের ওপার থেকে ভেসে আসে খোদ শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চনের কণ্ঠস্বর? বলিউডের ‘সার্কিট’ ওরফে আরশাদ ওয়ার্সির জীবনে এটাই প্রতি বছরের চেনা ছবি। সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এক দারুণ সিক্রেট ফাঁস করলেন অভিনেতা।
রবিবার ছিল আরশাদ ওয়ার্সির জন্মদিন। প্রতিবারের মতোই এবারও পাপারাৎজিদের সঙ্গে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেন তিনি। হাসিখুশি মেজাজে থাকা আরশাদকে যখন প্রশ্ন করা হয়, ইন্ডাস্ট্রির কারা তাঁকে প্রথম উইশ করেন? উত্তরে যা বললেন অভিনেতা, তাতে অবাক নেটিজেনরা। আরশাদ জানান, বলিউডে বন্ধু তো অনেকেই আছেন, কিন্তু অমিতাভ বচ্চন এবং জয়া বচ্চন যা করেন, তা অতুলনীয়। ঠিক রাত ১২টা ১ মিনিটে আরশাদের ফোনে কল আসে বচ্চন পরিবারের থেকে। কোনওদিন এর অন্যথা হয়নি।
আরশাদের কেরিয়ারের শুরুর দিনগুলোর সঙ্গে বচ্চন দম্পতি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। জয়া বচ্চনের হাত ধরেই ১৯৯৬ সালে ‘তেরে মেরে স্বপ্নে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর। সেই ঋণ অভিনেতা আজও ভোলেননি। অন্যদিকে, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘জমানাত: অ্যান্ড জাস্টিস ফর অল’ ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি। সিনিয়র হয়েও জুনিয়রদের প্রতি বচ্চন দম্পতির এই ভালোবাসা এবং সময়ানুবর্তিতা সত্যিই শেখার মতো। আরশাদ বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে যত সময় এগোচ্ছে, মানুষের ভালোবাসা তত বাড়ছে। আর অমিতাভ জি ও জয়া জি যেভাবে আমাকে মনে রাখেন, তা আমার কাছে বিশাল পাওনা।”
জন্মদিনের আনন্দ তো আছেই, সঙ্গে রয়েছে কাজের ব্যস্ততাও। খুব শীঘ্রই জনপ্রিয় ‘ধামাল’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ কিস্তিতে দেখা যাবে আরশাদকে। অজয় দেবগন, রিতেশ দেশমুখদের সঙ্গে ফের হাসির রোল তুলবেন তিনি। এছাড়াও অক্ষয় কুমারের সঙ্গে মাল্টি-স্টারার ছবি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এও থাকছেন তিনি। সব মিলিয়ে পর্দার ‘সার্কিট’ এখন কেরিয়ারের দারুণ এক পর্যায়ে রয়েছেন।
