AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Roopa Ganguly: রেখার মতো কেন এখনও সিঁদুর পরেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়?

Why Roopa Ganguly wears sindoor: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বহুবছর আগের বিয়ে ভেঙেছে। তবে প্রশ্ন ওঠে, বিচ্ছেদ হওয়া সত্ত্বেও কার নামে এখনও সিঁথিতে সিঁদুর ছোঁয়াচ্ছেন রূপা? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি বহু সময়ই হতে হয় রূপাকে। সোশাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিঁথির সিঁদুর নিয়ে মুখ খুললেন রূপা।

Roopa Ganguly: রেখার মতো কেন এখনও সিঁদুর পরেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়?
| Updated on: Oct 23, 2026 | 3:21 PM
Share

স্পষ্টবক্তা হিসেবে নিজের মতামত প্রকাশে অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সবসময়ই অনন্য। অনেক আগেই নিজেকে রুপোলি পর্দার চেনা জগত থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। মাঝে ‘মেয়েবেলা’ ধারাবাহিক এবং পরবর্তীতে দেবের ‘রঘু ডাকাত’ ছবিতে তাঁকে দেখা গেলেও, ক্যামেরার সামনে বা রাজনৈতিক মঞ্চে যখনই তিনি আসেন, নজর কাড়ে তাঁর সিঁথিতে জ্বলজ্বল করা গাঢ় সিঁদুর। অথচ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বহুবছর আগের বিয়ে ভেঙেছে। তবে প্রশ্ন ওঠে, বিচ্ছেদ হওয়া সত্ত্বেও কার নামে এখনও সিঁথিতে সিঁদুর ছোঁয়াচ্ছেন রূপা? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি বহু সময়ই হতে হয় রূপাকে। সোশাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিঁথির সিঁদুর নিয়ে মুখ খুললেন রূপা।

অভিনেত্রী জানান, “আমি তো বিধবা নই! তা ছাড়া বিধবা হলেও আমি সিঁদুর পরতাম। আমি মা ভদ্রকালীর সিঁদুর পরি এবং পরব! সিঁদুর পরতে আমার ভালো লাগে, তাই পরি। কপালের ওপর থেকে সিঁথি পর্যন্ত— ভদ্রকালীর মন্দির থেকে আনা সেই সিঁদুরই ছোঁয়াই।”

নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ এবং প্রথা ভাঙা সমাজভাবনা নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “কাউকে কৈফিয়ত দেব না যে কার জন্য বা কেন পরি। একজন নারী বিধবা হলেই বা কেন সিঁদুর বা লাল টিপ পরবে না? আমার বাবা চলে যাওয়ার পরেও মা-কে জোর করে লাল টিপ পরাতাম। নারীদের লাল সাজে দেখতে কী সুন্দর লাগে! সমাজ কী ভাবল আমি পরোয়া করি না, আমি সিঁদুর পরব, ব্যস।”

১৯৯২ সালে পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ধ্রুব মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন রূপা। তবে বিয়ের পর থেকেই তাঁদের বৈবাহিক সমীকরণে টানাপোড়েন শুরু হয়। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকা সত্ত্বেও সংসার টিকিয়ে রাখতে অভিনয় জীবনকেও বিদায় জানিয়েছিলেন তিনি।

পুরনো সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে রূপা বহু আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “কোনও পুরুষের পক্ষে একজন প্রতিষ্ঠিত সেলিব্রিটি স্ত্রীকে গ্রহণ করা বেশ কঠিন। তার জন্য মনটা অনেক উদার হতে হয়। সংসার টিকিয়ে রাখতে সকাল ৯টার আগে বা রাত ১০টার পরে কখনও কাজের শিডিউল নিইনি। শুটিং শেষ হতেই মেকআপ না তুলেই সোজা বাড়ি চলে আসতাম। সংসার সুখের করতে একটা মেয়ের পক্ষে যা যা করা সম্ভব, তার সবটাই করেছি। কলকাতায় ঘর করার জন্য অভিনয়ও ছেড়েছিলাম, কিন্তু এত কিছু করেও বিয়েটা বাঁচাতে পারিনি।”

তবে শুধুই রূপা গঙ্গোপাধ্যায় নয়, রেখার সিঁদুর পরা নিয়েও কৌতুহল রয়েছে বলিপাড়ায়। ১৯৯০ সালে দিল্লির শিল্পপতি মুকেশ আগরওয়ালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন রেখা। তবে সেই দাম্পত্য সুখের হয়নি। বিয়ের মাত্র সাত মাস পরেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সব। রেখা যখন লন্ডনে ছিলেন, সেই সময় মুকেশ আগরওয়াল আত্মহননের পথ বেছে নেন। কিন্তু স্বামীর প্রয়াণের পরেও রেখা তাঁর সিঁথি থেকে সিঁদুর মুছে ফেলেননি। ১৯৮২ সালে ‘উমরাও জান’ ছবির জন্য যখন তিনি জাতীয় পুরস্কার নিচ্ছেন, তখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডি তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, “আপনার সিঁথিতে সিঁদুর কেন?” সেই সময় অবিবাহিতা রেখা সপ্রতিভ উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি যে শহর থেকে আসছি, সেখানে সিঁদুর পরাটা একটা ফ্যাশন।”

Follow Us