
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শহরে এখনও কিঞ্চিৎ গরমের অনুভূতি থাকলেও শীত পড়েছে শহরাঞ্চলে। বলা ভাল বেশ জাঁকিয়েই ঠাণ্ডা পড়েছে। আর ঠাণ্ডা পড়লেই সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, ফুসফুসে সংক্রমণ, বুকে কম জমে থাকা এসব চলতেই থাকে। অনেকের আবার অ্যালার্জির সমস্যা, পেশীতে ব্যথা এসবেরও সমস্যা হয়। শীতে হজমের সমস্যা বাড়ে, পেটের সমস্যা হয়। এছাড়াও এই সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও থাকে একেবারে কম। আর তাই শীতে বয়স্ক এবং শিশুদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। শীতের উত্তুরে হাওয়া সরাসরি বুকে বেঁধে। এখান থেকেই হয় শ্বাসকষ্টের শুরু। এছাড়াও যাদের কোল্ড অ্যালার্জি থাকে তাদের শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়।
শীতে বুকে সর্দি বসে যায় বলে অনেকেই ওষুধ খান। আবার বেশ কিছুজনকে সারাবছরই ইনঙেলার ব্যবহার করতে হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যাঁদের এই সর্দি, কাশি বা কোল্ড অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তাঁদের শীতে সাবধানে থাকতে হবে। ঠাণ্ডা জলে স্নান করা চলবে না। চট করে ঠাণ্ডা লাগানোও চলবে না। পাশাপাশি বাড়িতেই স্পেশ্যাল এই বাম বানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
শীতে যদি ক্রমাগত হাঁচি, কাশির সমস্যা লেগে থাকে তাহলে বুকে ব্যথা হয়। বুকে কফ জমে যায়। কিছুক্ষেত্রে সংক্রমণ হতে পারে। সব সময় রাসায়নিক ব্যবহার করা বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক নয়। এতে বুকে কফ জমার সম্ভাবনা থেকে যায়। এক্ষেত্রে কাজে লাগান ঘরোয়া টোটকা।
ইউক্যালিপটাসের তেল বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে সাহায্য করে। রোজ রাতে ম্যাসাজ করতে পারলে উপকার পাবেন। বুকে কফ বসে গেলে পেপারমিন্ট অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। পেশীতে ব্যথী, সাইনাসের সমস্যা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব থাকলে এই বাম দিয়েই বুকে ম্যাসাজ করুন।
১/৪ কাপ নারকেল তেল,
১/৪ কাপ অলিভ অয়েল
১/৪ কাপ গলানো মোম একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।
কাঁচের জারের মধ্যে এই সব উপকরণ ঢেলে ওর মধ্যে পিপারমিন্ট অয়েল আর ইউক্যালিপটাস অয়েল ২০ ফোঁটা মিশিয়ে নিন। ব্যবহার করার আগে এই তেলের মিশ্রণ খুব ভাল করে গরম করে নিন। এবার তা হাতের তালুতে ভাল করে ঘষে নিয়ে বুকে মালিশ করে নিন। তবে এই ম্যাসাজ করার পর কোনও রকম বাতাস লাগানো চলবে না। এই বাম যাতে চোখে না লাগে সেদিকেও খেয়াল রাখুন।