AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কপালভাতি করলেই হবে না, সঠিক নিয়মটা জেনে নিন, যা উপকার হবে ভাবতেও পারবেন না

একটি ভিডিয়োতে রামদেব ব্যাখ্যা করেছেন যে প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিটও কপালভাতি প্রাণায়াম অনুশীলন করলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাঁর মতে, কপালভাতি অনুশীলন করলে শরীর আভ্যন্তরীণভাবে পরিষ্কার হয় এবং পাচনতন্ত্র শক্তিশালী হয়। এই প্রাণায়াম সরাসরি পাকস্থলী, লিভার, অগ্ন্যাশয় এবং অন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে।

কপালভাতি করলেই হবে না, সঠিক নিয়মটা জেনে নিন, যা উপকার হবে ভাবতেও পারবেন না
Image Credit: Getty Image
| Updated on: Jan 07, 2026 | 11:26 PM
Share

বর্তমান জীবন অনেক দ্রুতগতির, খাদ্যাভ্যাসও খারাপ। দিনে দিনে মানসিক চাপ এবং শারীরিক পরিশ্রম। অভাবের কারণে মানুষ ছোটখাটো অসুস্থতা থেকে শুরু করে গুরুতর সমস্যায় ভুগছে। এমন পরিস্থিতিতে, যোগব্যায়াম এবং প্রাণায়ামকে সুস্থ জীবনযাপনের সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

যোগগুরু বাবা রামদেব সর্বদা জোর দিয়ে বলেছেন যে যদি একজন ব্যক্তি প্রতিদিন তাঁর শরীরের জন্য কিছু সময় ব্যয় করেন, তাহলে ওষুধের প্রয়োজন হ্রাস পাবে। বাবা রামদেব প্রায়শই বিভিন্ন যোগাসনের পরামর্শ দেন, যা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। এর মধ্যে একটি হল কপালভাতি।

আপনি যদি প্রায়শই অসুস্থ হন, তাহলে এই যোগাসনটি আপনার জন্য। কপালভাতি করার সঠিক উপায় জানতে হবে। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট অনুশীলন করে কোন কোন রোগ নিরাময় করা যায় সেটাও জানুন।

একটি ভিডিয়োতে রামদেব ব্যাখ্যা করেছেন যে প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিটও কপালভাতি প্রাণায়াম অনুশীলন করলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাঁর মতে, কপালভাতি অনুশীলন করলে শরীর আভ্যন্তরীণভাবে পরিষ্কার হয় এবং পাচনতন্ত্র শক্তিশালী হয়। এই প্রাণায়াম সরাসরি পাকস্থলী, লিভার, অগ্ন্যাশয় এবং অন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।

রোগা হওয়ার ক্ষেত্রে জরুরি: বাবা রামদেব জানাচ্ছেন যে প্রতিদিন কপালভাতি প্রাণায়াম অনুশীলন করলে পেটের চর্বি কমতে পারে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি অনুশীলন করার সময়, শ্বাস দ্রুত ছাড়ার সময় পেট টেনে নিতে হয়, যা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। তবে, সুষম খাদ্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন: রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কপালভাতি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়। আসলে, কপালভাতি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষগুলিকে সক্রিয় করে, যা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে।

কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের সমস্যা দূর করে: পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং অ্যাসিডিটি দূর করে। এটি পেটের পেশীগুলিকে সক্রিয় করে এবং হজমের জোর বাড়ায়। এটি ফোলাভাব এবং বিষাক্ত পদার্থও দূর করে, পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং মলত্যাগকে সহজ করে।

ফ্যাটি লিভার/লিভারের সমস্যা: কপালভাতি ফ্যাটি লিভার এবং লিভারের সমস্যা কমাতে পারে কারণ কপালভাতি বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে। রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।

কপালভাতি প্রাণায়াম করার সঠিক উপায়

কপালভাতি প্রাণায়াম করার জন্য, প্রথমে আপনার পিঠ সোজা করে মেঝেতে বসুন। গভীর শ্বাস নিন, তারপর আপনার পেট টেনে নাক দিয়ে জোরে শ্বাস ছাড়ুন। শ্বাস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার পেট শিথিল করুন, আপনার শ্বাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রবাহিত হতে দিন। এই প্রক্রিয়াটি ২০-২৫ বার পুনরাবৃত্তি করুন।