TMC vs President Murmu Row: মেটেনি বিবাদ? রাষ্ট্রপতির ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ পেতে রাইসিনা হিলস ‘প্রদক্ষিণ’ করছে তৃৃণমূল
TMC Seeks President Appoinment: গত শনিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী কনফারেন্সে যোগ দিতে বাংলায় এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি। শিলিগুড়ির বিধাননগরে যেখানে তাঁর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, সেই স্থান পরিবর্তন করা হয়। নিরাপত্তার কারণে বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন খোদ রাষ্ট্রপতি।

কলকাতা: রাজ্য়ের আদিবাসী উন্নয়নের ‘রিপোর্ট কার্ড’ দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পেশ করতে চায় তৃণমূল। কিন্তু মিলছে না অ্যাপয়েন্টমেন্ট। যা ঘিরে তৈরি হয়েছে গুঞ্জন। গত শনিবার রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে যাওয়া ও সভাস্থল নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এই অ্যাপয়েন্টমেন্ট-সংঘাত কি তারই ফল? প্রশ্ন তুলছেন একাংশ।
তৃণমূল সূত্রে খবর, আদিবাসী সমাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার কী কী কাজ করেছে, সেই খতিয়ান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তুলে দিতে সময় চেয়ে প্রথম চিঠিটি পাঠান তৃণমূল সাংসদরা। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার তাঁদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবন। জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রপতি আপাতত এই বৈঠকের জন্য সময় দিতে পারছেন না।
এরপরেই পুনরায় রাষ্ট্রপতি ভবনে চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল। দ্বিতীয়বার তাঁর কাছে সময় চেয়েছে রাজ্যের শাসকদলের সাংসদরা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই চিঠিতে ১২ থেকে ১৫ জন তৃণমূলের প্রতিনিধি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু সেই আবেদন নিয়ে এখনও কোনও উত্তর দেয়নি রাষ্ট্রপতি ভবন। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে রাইসিনা হিলসে আরও একটি অর্থাৎ তৃতীয় চিঠি পাঠাতে চলেছে তৃণমূল। তাতে নিজেদের দলীয় অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
কোথায় বিবাদ?
গত শনিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী কনফারেন্সে যোগ দিতে বাংলায় এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি। শিলিগুড়ির বিধাননগরে যেখানে তাঁর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, সেই স্থান পরিবর্তন করা হয়। নিরাপত্তার কারণে বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন খোদ রাষ্ট্রপতি। পরে বিধাননগরে পৌঁছে তিনি বলেন, “আমি তো এই এলাকাতেই সভা করতে চেয়েছিলাম। পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার আমাকে সভা করতে দিল না?”
এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ছোট বোন’ বলে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, “হয়তো কোনও কারণে উনি আমার উপর রুষ্ট হয়েছেন। যে কারণে সভা করতে দিলেন না।” যা ঘিরে শুরু হয় বিস্তর জলঘোলা। রাষ্ট্রপতিকে ‘অপমান করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ তুলে সরব হয় বিজেপি। মাঠে নামেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীরাও।
