
কলকাতা: নার্ভের সমস্যা আজকাল যেন বাড়িতে বাড়িতে। দীর্ঘস্থায়ী স্নায়ুর রোগ গোটা দেশেই এখন একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রচলিত আধুনিক চিকিৎসায় এর স্থায়ী সমাধান মেলা ভার। কিন্তু পতঞ্জলির হাত ধরেই এবার মুশকিল আসান। দীর্ঘস্থায়ী স্নায়ুর ব্যথার প্রাকৃতিক ও স্থায়ী নিরাময় হিসেবে ‘পীড়ানিল গোল্ড’ (Peedanil Gold) নিয়ে এল পতঞ্জলি। এই ওষুধের কার্যকারিতা সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্র ইতিমধ্যেই ‘ওয়াইলি’ প্রকাশনীর আন্তর্জাতিক পিয়ার-রিভিউড জার্নাল ‘পেইন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’-এ প্রকাশিত হয়েছে। তা নিয়েও চলছে চর্চা।
পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আচার্য বালকৃষ্ণ বলছেন, ডায়াবেটিস, অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতা কিংবা কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আজকাল অনেক মানুষই ‘নিউরোপ্যাথিক পেইন’ বা স্নায়ুর ব্যথায় ভোগেন। যার জেরে ঘুমের সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ হয়ে যায় অনেকেরই। ছাপ পড়ে কর্মক্ষেত্রেও। কমতে থাকে কর্মদক্ষতা। বাজার চলতি কিছু ওষুধ এই সমস্যা থেকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়। সেখানেই ‘পীড়ানিল গোল্ড’ এক নতুন আশার আলো হতে পারে বলে মনে করছেন আচার্য বালকৃষ্ণ।
পতঞ্জলি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. অনুরাগ বার্ষ্ণেয় এই ওষুধের বৈজ্ঞানিক দিকটিও তুলে ধরছেন। ইঁদুরের উপর করা ‘ক্রনিক কনস্ট্রিকশন ইনজুরি’ (CCI) মডেলে দেখা গিয়েছে, পীড়ানিল গোল্ড তাপ বা ঠান্ডাজনিত ব্যথা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। এর কার্যকারিতা স্নায়ুর ব্যথার জনপ্রিয় আধুনিক ওষুধ ‘গ্যাবাপেন্টিন’-এর মতো কার্যকর। পীড়ানিল গোল্ড কেবল স্নায়ুর ব্যথাই নয়, বরং অস্টিওআর্থারাইটিস ও গাঁটের ফোলা ভাব কমাতেও সমানভাবে কার্যকর। নেই কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।