Side Effects Of Vaping: ১৪-১৭ বছর বয়সীদের অধিকাংশ সচেতনই নয় নিষিদ্ধ ই-সিগারেট Vapes নিয়ে, কী বলছে গবেষণা?
E-Cigarettes: আর্শ্চর্যজনক ভাবে ৬১ শতাংশ পড়ুয়া বলেছে তারা এমন ডিভাইসের নাম আগে শোনেনি এমনকী ব্যবহারও জানে না। আর তাদের মা-বাবাকেও কখনও ব্যবহার করতে দেখেনি

ইদানিং কালে দেশের যুব সমাজের মধ্যে ই-সিগারেট বা Flavored vapes এর চাহিদা খুব বেশি। এই সিগারেট যে আমাদের দেশে নিষিদ্ধ তাই জানেনা অনেকে। সম্প্রতি ১৪-১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। আর তাতেই দেখা গিয়েছে ৮৯ শতাংশ এই ভ্যাপসের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত নয়। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ই-সিগারেট বিক্রি করে এমন ১৫ টি ওয়েবসাইটকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন এবং বিক্রি অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। “আইডিয়াস ফর অ্যাডিকশন-ফ্রি ইন্ডিয়া”- এই শিরোনামেই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। থিঙ্ক চেঞ্জ ফোরামের তরফে এই গবেষণাটি করা হয়েছিল। দিল্লি, গুরুগ্রাম, নয়ডা, মুম্বই, পুনে, বেঙ্গালুরুর কিছু স্কুলে এই গবেষণা চালানো হয়। মোট ১,০০৭ জন এই গবেষণায় অংশগ্রহণ করেছিল।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে ৯৬ শতাংশই এই ই-সিগারেট বিষয়ে সচেতন নয়। এদিকে Flavored vapes এর চাহিদা বাড়ছে দীর্ঘদিন ধরে। এমনকী এই ই-সিগারেটের থেকে কী কী ক্ষতি হতে পারে তাও জানেন না।
আবার কিছুজন এই ভেপসকে ফ্যাশন বা দেখনদারি ছাড়া আর কিছুই বলতে চাননি। যে সব পড়ুয়াদের উপর এই গবেষণা চালানো হয় তাদের মধ্যে মাত্র ৩৭ শতাংশের মনে হয়েছে এই ভেপস অল্প হলেও ক্ষতিকারক হতে পারে। একমাত্র ১১ শতাংশ পড়ুয়া এই ভ্যাপিং এর ক্ষতিকারক দিকগুলি সম্পর্কে সচেতন। আর্শ্চর্যজনক ভাবে ৬১ শতাংশ পড়ুয়া বলেছে তারা এমন ডিভাইসের নাম আগে শোনেনি এমনকী ব্যবহারও জানে না। আর তাদের মা-বাবাকেও কখনও ব্যবহার করতে দেখেনি।
চিকিৎসকদের বক্তব্য আমরা এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাস করছ্। এখানে যুবারা সংখ্যায় অনেক বেশি। তাদের রোজ রোজ নতুন নতুন ডিভাইসের দিকে আকর্ষণ বাডডছে। যা খুবই খারাপ।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
