India Stock Market : বাজার খুলতেই উড়ল ১০ লক্ষ কোটি টাকা, সেনসেক্স-নিফটিতে বড় পতন
India Stock Market Fall : আজ শেয়ার বাজারে ধসের একটা প্রধান কারণ হল ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি। ইরানের উপর তীব্র আক্রমণের হুঁশিয়ারি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার হিসেব অনুযায়ী, সেনসেক্স ১৪০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। নিফটি ৫০ প্রায় ২ শতাংশে নেমে পৌঁছয় ২২ হাজার ৩০০-র নিচে। এক ঘণ্টায় ১০ লক্ষ কোটি টাকা গায়েব হয়ে যায় বিনিয়োগকারীদের।

নয়াদিল্লি : ফের শেয়ারবাজারে বড় ধস। বাজার খোলার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই উড়ল ১০ লক্ষ কোটি টাকা। সেনসেক্স ও নিফটিতে বড় পতন। বৃহস্পতিবার বাজার খোলার পরেই বড় ধাক্কা খেলেন বিনিয়োগকারীরা। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের উপর নতুন করে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর থেকেই শেয়ার বাজারে ধস নামে। রক্তাক্ত হয় দালাল স্ট্রিট। বুধবার বাজার বন্ধের সময় BSE সেনসেক্সের অন্তর্ভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজারমূল্য ছিল ৪২২ লক্ষ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তা কমে দাঁড়ায় ৪১১ লক্ষ কোটিতে।
সেনসেক্স-নিফটিতে বড় পতন
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার হিসেব অনুযায়ী, সেনসেক্স ১৪০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। নিফটি ৫০ প্রায় ২ শতাংশে নেমে পৌঁছয় ২২ হাজার ৩০০-র নিচে। এক ঘণ্টায় ১০ লক্ষ কোটি টাকা গায়েব হয়ে যায় বিনিয়োগকারীদের।
কোন কোন সেক্টরের শেয়ারের কী পরিস্থিতি?
ব্যাঙ্ক ও ফিনান্সিয়াল শেয়ার: ১.৬ শতাংশ পতন মিড-ক্যাপ: ১.২ শতাংশ কমেছে স্মল-ক্যাপ: ১.৫ শতাংশ পতন
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া : ৩ শতাংশের বেশি পতন এইচডিএফসি,আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক : ১.৫–২.৫ শতাংশ কমেছে লারসেন ও টুরবো: শেয়ার পতন হয়েছে ৩ শতাংশের বেশি কমেছে
শেয়ার বাজারে কেন ধস?
আজ শেয়ার বাজারে ধসের একটা প্রধান কারণ হল ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি। ইরানের উপর তীব্র আক্রমণের হুঁশিয়ারি। জাতির উদ্দেশে ভাষণের সময় ট্রাম্প এদিন বলেন, “আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আমরা ইরানের উপর তীব্র আঘাত আনতে চলেছি। আমরা ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাব, যেখানে তাদের থাকা উচিত।” এরপরই তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০৫ ডলার। তেলের দাম বৃদ্ধির পরই শেয়ারবাজারে বড় পতন হয়েছে।
এপ্রিলের শুরুতেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৮ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। যদিও দেশীয় সংস্থাগুলি ৭ হাজার ১৭২ কোটি কিনেছে। কিন্তু তারপরেও চাপ সামলানো যায়নি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কড়া নিয়মের প্রভাব পড়েছে শেয়ার মার্কেটে। আরবিআই নতুন নিয়ম জারি করে ব্যাঙ্কগুলিকে কিছু চুক্তি বন্ধ করতে বলা হয়েছে। যার ফলে ব্যাঙ্কিং স্টকে বাড়তি চাপ পড়েছে।
