Yoga Guru Ramdev: গেঁটেবাতে নাজেহাল? জেনে নিন যোগগুরু রামদেবের অব্যর্থ দাওয়াই
Ramdev: বাত নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি রান্নাঘরের বেশ কিছু ভেষজ উপকরণের ওপর জোর দিয়েছেন রামদেব। যদি শরীরে বাতের প্রভাব বেড়ে যায়, তবে নিয়মিত অ্যালোভেরা, গিলয় (গুলঞ্চ), পারিজাত বা সজনের পাতার টাটকা রস পান করা অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

কলকাতা: আজকের আধুনিক জীবনে বাতের সমস্যা ঘরে ঘরে। শরীরকে রোগমুক্ত করতে যোগব্যায়াম এবং আয়ুর্বেদের কোনও বিকল্প নেই বলেই মনে করেন পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু স্বামী রামদেব। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিয়ো বার্তায় তিনি এ নিয়ে বিশদে আলোচনাও করেছেন। তাঁর মতে, ছোট বয়স থেকেই হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, হজমের সমস্যা বা শরীরে কম্পনের মতো সমস্যার মূলে রয়েছে গেঁটেবাত।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, শরীর বায়ু এবং আকাশ, এই দুই উপাদানের শক্তি দিয়ে গঠিত। একেই বলা হয় ‘বাত’ দোষ (Vata Dosha)। এটি আমাদের স্নায়ুতন্ত্র, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং মানসিক গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে। যখনই এই শক্তির ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, তখনই শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। স্বামী রামদেবের মতে, অনিয়মিত জীবনযাত্রা এবং ভুল খাদ্যাভ্যাসই এর প্রধান কারণ। অতিরিক্ত ঠান্ডা বা বাসি খাবার খাওয়া, অত্যাধিক চা-কফি পানের অভ্যাস, দেরিতে ঘুমানো বা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকার জেরেও সমস্যা বাড়ে। একইসঙ্গে মানসিক উদ্বেগ, ভয় এবং অত্যাধিক দুশ্চিন্তাও সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।
বাত নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি রান্নাঘরের বেশ কিছু ভেষজ উপকরণের ওপর জোর দিয়েছেন রামদেব। যদি শরীরে বাতের প্রভাব বেড়ে যায়, তবে নিয়মিত অ্যালোভেরা, গিলয় (গুলঞ্চ), পারিজাত বা সজনের পাতার টাটকা রস পান করা অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একইসঙ্গে রান্নায় ব্যবহৃত হলুদ, মেথি, আদা এবং জোয়ান আয়ুর্বেদিক মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। আদা ও তুলসীর রসের সঙ্গে মধু ও হলুদ মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির পাশাপাশি বাতের ব্যথাও কমে। পাশাপাশি গোলমরিচ, পিপুল এবং শুঁঠের মিশ্রণ বা ‘ত্রিকুটা’ বাতের ব্যথায় আরাম দেয়।
রামদেব বলছেন, এই সমস্যাকে দূরে রেখে সুস্থ থাকতে টক এবং খুব ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলুন। ফুলকপি, দই, আমলকী এবং শসা সীমিত পরিমাণে খান, কারণ এগুলি শরীরে বাতের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফল্টে লাউয়ের তারকারি বা লাউয়ের স্যুপ বাতের রোগীদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর।
