
নয়াদিল্লি: শীতের এখন যাওয়ার পালা। মরসুম বদলের সময়। আর মরসুম বদল মানেই সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্য়াদি একেবারে ছেঁকে ধরবে। অনেকে বলেন, এই সময়কালে শরীরে তেজ বৃদ্ধি করতে শিলাজিৎ খাওয়া ভাল, অনেকে আবার পরামর্শ দেন অন্য কোনও আয়ুর্বেদিক বা ভেষজ দ্রব্য খাওয়ার। কিন্তু একটা বড় অংশের মতে, মরসুম বদলের সঙ্গী হোক কাকড়া সিংহী। দেখতেও অনেকটাই কাঁকড়ার নখের মতো। তবে স্বাদে-গুণে এটি একেবারে ভেষজ দ্রব্য।
নামে কাঁকড়া থাকলেও এই ভেষজ উপাদান কিন্তু তৈরি হয় শসা থেকে। মূলত হিন্দিবলয়ে এই উপাদানের জনপ্রিয়তা। সেখানে আবার শসাকে বলা হয় কাকড়ি। সেই থেকেই তৈরি এই ভেষজ দ্রব্যের নাম পড়েছে কাকড়া সিংহী। যা তৈরি হয় শসা গাছের রজন বা তাঁর অন্দর থেকে বেরনো আঠালো একটি দ্রব্য দিয়ে।
আজ হঠাৎ করে এই কাকড়া সিংহীকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কারণ কী? সাধারণভাবে শরীরকে ‘ডিটক্স’ করতে বা তিক্ততা দূর করতে শসার খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। এই কাকড়া সিংহীর কাজটাও তেমন। প্রাচীনকালে, বিশেষ করে উত্তর-বৈদিক যুগ থেকে এই ভেষজ দ্রব্য়ের ব্যবহার লক্ষ্য করা গিয়েছে।
সেই সময় মূলত সর্দি-কাশির সমস্যার জন্য কাকড়া সিংহীকে ব্যবহার করা হত। পরবর্তীতে দেখা যায়, হাঁপানি, ফুসফুসের যে কোনও রকমের সমস্যার ক্ষেত্রে ভালই কাজ করছে কাকড়া সিংহী। পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা রামদেবের মতে, কাকড়া সিংহী বুকের মধ্য়ে জমে থাকা শ্লেষ্মা বের করে দেয়। তা বাড়তে দেয় না। শীতকালে খাওয়া বিশেষ করে ভাল, কারণ শরীরকেও গরম রাখে।