Student Death: ‘স্তনে হাত দিত, বাজে কথা বলত’, প্রফেসরের লালসা, সহপাঠীদের র‌্যাগিংয়ে শেষ হয়ে গেল ১৯ বছরের তরতাজা প্রাণ

Student Physical Assault: মৃত্যুর আগে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই যুবতী অভিযুক্ত অধ্যাপকের নাম নিয়ে বলেছিল, "আজব কাজকর্ম করতেন। আমার পিছনে পড়ে যেতেন। অনেক কিছু বলত"। হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে দেখায় যে অভিযুক্ত অধ্যাপক তাঁর স্তনে হাত দিত।

Student Death: স্তনে হাত দিত, বাজে কথা বলত, প্রফেসরের লালসা, সহপাঠীদের র‌্যাগিংয়ে শেষ হয়ে গেল ১৯ বছরের তরতাজা প্রাণ
প্রতীকী চিত্র।Image Credit source: Canva

|

Jan 03, 2026 | 7:08 AM

সিমলা: যাদের কাছে সুরক্ষিত থাকার কথা ছিল, তাদেরই লালসার শিকার। লাগাতার র‌্যাগিং, যৌন হেনস্থার শিকার হয়ে শেষ হয়ে গেল ১৯ বছরের কলেজ পড়ুয়া। মৃত্যুর আগে ওই যুবতী একটি ভিডিয়ো রেকর্ড করে যায়, তাতে বলে যায় কীভাবে দিনের পর দিন কলেজের প্রফেসরের হাতেই যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।

হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালার সরকারি কলেজে পড়ত যুবতী। গত ২৬ ডিসেম্বর আত্মহত্য়া করে সে। এরপরই তাঁর বাবা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিন পড়ুয়া ও কলেজের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত তিন যুবতী ওই পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থা করত, র‌্যাগিং করত। মুখ খুললে আরও খারাপ হবে বলে ভয় দেখাত।

এদিকে যে শিক্ষকের সুরক্ষা দেওয়ার কথা, তাঁর হাতে আরও নিগ্রহের শিকার হয় যুবতী। অভিযুক্ত অধ্যাপক তাঁকে প্রায়সময়ই যৌন হেনস্থা করত, অশ্লীলভাবে স্পর্শ করত। এতেই মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে যুবতী। শেষে গত ২৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় যুবতীর।

মৃত্যুর আগে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই যুবতী অভিযুক্ত অধ্যাপকের নাম নিয়ে বলেছিল, “আজব কাজকর্ম করতেন। আমার পিছনে পড়ে যেতেন। অনেক কিছু বলত”। হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে দেখায় যে অভিযুক্ত অধ্যাপক তাঁর স্তনে হাত দিত।

ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন পড়ুয়া ও অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে, কলেজের প্রিন্সিপাল র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি দাবি করেছেন যে মৃত যুবতী কোনওদিন র‌্যাগিং বা হেনস্থার অভিযোগ জানায়নি। ফার্স্ট ইয়ারে তিনটি বিষয়ে ফেল করেছিল, তাই তাঁকে নতুন করে ভর্তি হতে বলা হয়েছিল। সেটা নিয়েই মনোকষ্টে ছিল যুবতী। গোটা ঘটনারই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।