
নয়া দিল্লি: অস্বাভাবিক, রহস্যজনক। ফ্লাইওভারের উপরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল একটা গাড়ি। ভিতরে কয়েকজন ছিলেন। পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া গাড়িগুলির একটু সন্দেহ হয়েছিল। তাই খবর দেওয়া হয়েছিল পুলিশে। তারাও এসে দেখেন গাড়ির ভিতরে তিনজন রয়েছেন। অকাতরে ঘুমোচ্ছেন তারা, হাজার ডাকাডাকিতেও ঘুম ভাঙছে না তাদের। এরপরই জোর করে দরজা খোলে পুলিশ। তারপরই যা দেখলেন…
দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল তিন জনের নিথর দেহ। গাড়ির ভিতরই মারা গিয়েছেন তারা, অথচ কোনও আঘাত বা গলায় ফাঁসের চিহ্ন নেই। দিল্লির পিরগারহি ফ্লাইওভারের উপরে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির ভিতর থেকে তিনজনের মৃত্যুকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে রহস্য।
পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার দুপুর ৩টে ৫০ মিনিট নাগাদ পিসিআরে ফোন আসে যে ফ্লাইওভারের উপরে কয়েক ঘণ্টা ধরে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। গাড়ির বাইরে কোনও যাত্রীকে দেখা যাচ্ছে না। এরপরই পুলিশের টিম পৌঁছয়। তারা গাড়ির দরজা খুলে দেখেন, ভিতরে দুই ব্যক্তি ও একজন মহিলা নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন।
ডিসিপি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে যে বিষক্রিয়ায় ওই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গাড়িতে থাকা তিনজনের পরিচয়ও জানা গিয়েছে। রণধীর (৭৬), শীবনরেশ (৪২) ও লক্ষ্মী দেবী (৪০)। রণধীর ও শিবনরেশ রনহৌলার বাসিন্দা, লক্ষ্মী দেবী জাহাঙ্গীরপুরির বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে গণ-আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কেন এই তিনজন গাড়ির ভিতরে আত্মহত্যা করলেন, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।