
লখনউ: নতুন মাস পড়ে গিয়েছে, কিন্তু বেতন আসছে না। একজন-দুজন সরকারি কর্মী নয়, একসঙ্গে ৬৮ হাজার ২৩৬ জন সরকারি কর্মীর বেতন আটকে রয়েছে। সরকারের তরফেই বিপুল সংখ্যক কর্মীর বেতন আটকে রাখা হয়েছে। কেন?
সরকারি কর্মীদের বেতন আটকে রাখার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। ৬৮ হাজার ২৩৬ জন কর্মীর জানুয়ারি মাসের বেতন আটকে রাখা হয়েছে। এই পদক্ষেপ করা হয়েছে কারণ তারা নিজেদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি জানাননি। সরকারের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে মানব সম্পদ পোর্টালে এই তথ্য আপলোড করতে বলা হয়েছিল। সেই তথ্য আপলোড না করাতেই এবার তাদের বেতন আটকে দেওয়া হল।
যোগী সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তারা দুর্নীতি নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। সরকারি কর্মীদের মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশ সরকারের সমস্ত কর্মীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জানাতে হয় বছর শেষে। যদি কেউ নিয়ম না মানেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিচার-বিভাগীয় তদন্ত হবে।
উত্তর প্রদেশের হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট পোর্টালেই সরকারি কর্মীদের যাবতীয় তথ্য আপলোড করা হয়। দুর্নীতি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যোগী সরকার। যারা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য আপলোড করেননি, তাদের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিজেদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জানাতে বলা হয়েছিল। যারা তারপরও সম্পত্তি ডিক্লেয়ার করেননি, তাদের বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত তারা সম্পত্তির হিসাব প্রকাশ করবেন না, ততদিন তাদের বেতন আটকে রাখা হবে বলেই জানানো হয়েছে।
৬৮ হাজার ২৩৬ জন কর্মী, যাদের বেতন আটকে রাখা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩৪ হাজার ৯২৬ জন কর্মীই গ্রুপ-সি স্টাফ। ৭ হাজার ২০৪ জন গ্রুপ বি কর্মী। ২২ হাজাক ৬২৪ জন কর্মী গ্রুপ-ডি কর্মী এবং গ্রুপ-এ কর্মীর সংখ্যা ২৬২৮ জন।