Nashik Accident : নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুয়োয় পড়ল গাড়ি, একই পরিবারের ৯জনের মৃত্যু
Nashik Tragedy Car Accident : রাত তখন প্রায় সাড়ে ১১টা। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি রাস্তা থেকে পাশের জলভর্তি একটি কুয়োর মধ্যে পড়ে যায়। নাসিক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে দিন্দোরি তালুকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। কুয়োতে জল ভর্তি থাকায় গাড়ির ভিতরে থাকা যাত্রীরা বেরিয়ে আসার কোনও সুযোগই পাননি। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর ক্রেনের সাহায্যে গাড়িটিকে বাইরে তোলা সম্ভব হয়।

নাসিক : মর্মান্তিক। অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল একই পরিবারের ৯ জনের। তাঁদের মধ্যে ৬ জন শিশু রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, গাড়ি নিয়ে পরিবারের সবাই হইহই করে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। কিন্তু, এটাই যে তাঁদের একসঙ্গে শেষ যাত্রা হতে চলেছে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। কল্পনা করার কথাও নয়। যখন তাঁদের দেহগুলি উদ্ধার করা হয়, তখনও তাঁদের পরনে নতুন জামা। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাসিকে।
কীভাবে দুর্ঘটনা?
জানা গিয়েছে, মৃতেরা ইন্দোরি গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার গাড়ি নিয়ে তাঁরা শিবাজিনজরের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার সময়ই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার সময় গাড়ি চালাচ্ছিলেন পরিবারেরই সদস্য সুনীল দত্তাত্রেয় দারগোড়ে। রাত তখন প্রায় সাড়ে ১১টা। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি রাস্তা থেকে পাশের জলভর্তি একটি কুয়োর মধ্যে পড়ে যায়। নাসিক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে দিন্দোরি তালুকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
কুয়োতে জল ভর্তি থাকায় গাড়ির ভিতরে থাকা যাত্রীরা বেরিয়ে আসার কোনও সুযোগই পাননি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকলবাহিনী। বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং পরে এনডিআরএফও যায় ঘটনাস্থলে। তবে কুয়োতে জল ভর্তি থাকায় উদ্ধারকাজে কঠিন হয়ে পড়ে। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর ক্রেনের সাহায্যে গাড়িটিকে বাইরে তোলা সম্ভব হয়। গাড়ি থেকে ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরও এক কিশোরীকে খোঁজার জন্য আলাদা করে তল্লাশি চালানো হয়। ওই কিশোরী দুর্ঘটনার সময় গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে কুয়োর জলে তলিয়ে যায় বলে খবর।
মৃতদের মধ্যে রয়েছেন সুনীল দত্তাত্রেয় দারগোড়ে (৩৪), তাঁর স্ত্রী রেশমা (৩০), তাঁদের মেয়ে রাখি ওরফে গুনন্তি (১০), দুই ভাইঝি মাধুরী (১৩) ও শ্রাবণী (১১)। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন আশা অনিল দারগোড়ে (৩২), তাঁর ছেলে শ্রেয়শ (১১), মেয়ে সৃষ্টি (১৪) এবং ভাইঝি সমৃদ্ধি (৭)। সবাই একই পরিবারের সদস্য।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিন্দোরি থানার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
